

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ফ্যাটি লিভার ইদানীং বেশ সাধারণ একটি স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই অজান্তে এতে ভুগে থাকেন। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত মদ্যপান, প্রসেসড বা প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণেই মূলত লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমতে শুরু করে।
তবে ফ্যাটি লিভার ধরা পড়লেই যে ডায়েট থেকে ফ্যাট বা চর্বিজাতীয় খাবার একদম বাদ দিয়ে দিতে হবে- এই ধারণাটি কিন্তু একেবারেই ভুল!
চিকিৎসকদের মতে, 'ফ্যাটি লিভার' নামের মধ্যে ‘ফ্যাট’ বা চর্বি শব্দটা আছে বলেই ফ্যাটকে খলনায়ক ভাবার কোনো কারণ নেই। চর্বির চেয়েও ফ্যাটি লিভারের রোগীদের জন্য বেশি ক্ষতিকর হলো চিনি এবং অতিরিক্ত শর্করা (কার্বোহাইড্রেট)।
যারা অতিরিক্ত মিষ্টি বা শরবত, কোল্ড ড্রিংকস, প্রসেসড ফুড, ফলের রস কিংবা ময়দার তৈরি খাবার বেশি খান, তাদের লিভারের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে।
সব ফ্যাট কিন্তু খারাপ নয়! প্রকৃতপক্ষে, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট লিভারের রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। রকমারি বাদাম, বীজ (যেমন- তিল, তিসি, চিয়া সিড), অলিভ অয়েল এবং যেকোনো বড় মাছে যে ফ্যাট থাকে, তা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো এবং ফ্যাটি লিভার থাকলেও এগুলো অনায়াসে খাওয়া যায়।
খাবারে সঠিক তেল বেছে নেওয়া এবং রান্নায় সচেতন হওয়াটাই আসল পরিবর্তন এনে দিতে পারে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, খাবার ভালো হলেও তা অতিরিক্ত খাওয়া যাবে না- পরিমিত পরিমাণ বজায় রাখা জরুরি।
যেগুলো কমাবেন বা এড়াবেন: চিনি, কোল্ড ড্রিংকস, রিফাইন্ড ময়দা এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার।
যেগুলো ডায়েটে রাখবেন: ভালো ফ্যাট (বাদাম, বীজ, অলিভ অয়েল, বড় মাছ), পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার এবং লিন প্রোটিন (যেমন: মুরগির মাংস, ডিমের সাদা অংশ, ডাল)।
সঠিক খাবার বেছে নিয়ে আর পরিমিত মেপে খেলে ফ্যাটি লিভার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
