রবিবার
২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রবিবার
২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লক্ষণ দেখা দেওয়ার আগেই ছড়াতে পারে যক্ষ্মা

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২১ জুন ২০২৬, ০৪:১৯ পিএম
এনপিবি কোলাজ
expand
এনপিবি কোলাজ

যক্ষ্মা (টিবি) হলো মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস (Mycobacterium tuberculosis) নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্ট একটি সংক্রামক রোগ। এটি মূলত ফুসফুসে আক্রমণ করে, তবে শরীরের অন্যান্য অংশ (যেমন- মেরুদণ্ড, মস্তিষ্ক, বা গ্রন্থি) এতে আক্রান্ত হতে পারে। এটি বাতাসের মাধ্যমে এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে ছড়ায়।

রোগ ছড়ানোর উপায়

আক্রান্ত ব্যক্তি কথা বলার সময়, হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে বাতাসে জীবাণু ছড়ায়। সুস্থ ব্যক্তি সেই বাতাস শ্বাস হিসেবে গ্রহণ করলে সংক্রমিত হতে পারেন। তবে হাত মেলানো, একসঙ্গে খাওয়া বা ব্যবহার করা জিনিসে যক্ষ্মা ছড়ায় না। যক্ষ্মা বা TB প্রধানত দুই ধরণের হয়:

সুপ্ত যক্ষ্মা: শরীরে জীবাণু আছে কিন্তু তা ঘুমন্ত অবস্থায় থাকে। এই মানুষগুলো অসুস্থ নন এবং তাদের শরীর থেকে কোনোভাবেই রোগ ছড়ায় না।

সক্রিয় যক্ষ্মা: জীবাণু যখন ফুসফুসে আক্রমণ করে।

লক্ষণ দেখা দেওয়ার আগেই রোগ ছড়ানোর বিষয়টি ঘটে এই সক্রিয় যক্ষ্মার একদম শুরুর দিকে। অনেকের শরীরে জীবাণু সক্রিয় হয়ে উঠলেও শুরুতে কোনো তীব্র কষ্ট হয় না। হয়তো সামান্য ক্লান্তি বা হালকা কাশি থাকে, যেটিকে সাধারণ ঠান্ডা লাগা মনে করে মানুষ এড়িয়ে যায়।

কিন্তু ততক্ষণে ফুসফুসে জীবাণু বংশবৃদ্ধি করা শুরু করে দিয়েছে। এই "অসুস্থ বুঝে ওঠার আগের" সময়টাতেই কথা বলা, হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে অজান্তেই জীবাণু বাতাসে ছড়িয়ে পড়তে পারে। দীর্ঘদিন কাশি হলে দ্রুত পরীক্ষা করানো উচিৎ।

কখন সতর্ক হবেন?

২ সপ্তাহের বেশি সাধারণ কাশি।

কাশির সাথে রক্ত আসা।

বিকেলে বা রাতে হালকা জ্বর এবং রাতে ঘেমে যাওয়া।

কোনো কারণ ছাড়াই দ্রুত ওজন কমে যাওয়া।

যক্ষ্মা কোনো গোপন বা লজ্জার রোগ নয়, এটি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য। শুরুতে রোগ ধরা পড়লে নিজে যেমন দ্রুত সুস্থ হওয়া যায়, তেমনি পরিবারের বাকি সদস্যদেরও অনিচ্ছাকৃত সংক্রমণ থেকে বাঁচানো যায়।

তাই লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে বিনামূল্যে কফ পরীক্ষা করানোই বুদ্ধিমানের কাজ।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
UPCOMING
Spain VS Saudi Arabia
Scheduled
21 Jun, 10:00 PM
VS
World Cup