মঙ্গলবার
০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিডনি সুস্থ রাখতে নিয়মিত খান এই ৪ ধরনের মাছ

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৭ পিএম
প্রতীকী ছবি
expand
প্রতীকী ছবি

কিডনির সুস্থতা ধরে রাখতে সুষম খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব অনেক। পুষ্টিবিদদের মতে, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ চর্বিযুক্ত মাছ নিয়মিত খেলে কিডনির কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়তা মিলতে পারে। একই সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগের (সিকেডি) ঝুঁকি কমাতেও এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

কিডনি শরীরের রক্ত থেকে বর্জ্য ও অতিরিক্ত তরল ছেঁকে বের করে দেওয়ার পাশাপাশি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, খনিজ ও তরলের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং রক্তকণিকা তৈরির প্রক্রিয়ায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে ক্ষতিকর বর্জ্য জমতে শুরু করে, যা নানা জটিল স্বাস্থ্যসমস্যার কারণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্যামন, ম্যাকারেল, ট্রাউট ও টুনার মতো চর্বিযুক্ত মাছে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এই প্রদাহ কিডনির ক্ষতির অন্যতম ঝুঁকির কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে এসব মাছ খাওয়া কিডনির জন্য উপকারী হতে পারে।

পুষ্টিবিদরা সপ্তাহে অন্তত দুইবার চর্বিযুক্ত মাছ খাওয়ার পরামর্শ দেন। তবে মাছ রান্নার পদ্ধতিও গুরুত্বপূর্ণ। গ্রিল, বেক, স্টিম বা এয়ার-ফ্রাই করে রান্না করলে পুষ্টিগুণ বেশি বজায় থাকে। অন্যদিকে অতিরিক্ত তেলে ভাজা, বেশি লবণ বা প্রসেসড সস ব্যবহার করলে স্বাস্থ্যগত উপকারিতা কমে যেতে পারে।

চর্বিযুক্ত মাছে ওমেগা-৩ ছাড়াও ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি–১২, সেলেনিয়াম এবং কিছু ক্ষেত্রে পটাশিয়াম ও ফসফরাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান থাকে। এসব উপাদান রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা, হাড়ের স্বাস্থ্য, স্নায়ুতন্ত্র এবং কোষের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, শুধু একটি খাবারের ওপর নির্ভর করে কিডনি সুস্থ রাখা সম্ভব নয়। শাকসবজি, ফল, গোটা শস্য, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে নিয়মিত শরীরচর্চা ও ওজন নিয়ন্ত্রণও সমান গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও উচ্চ কোলেস্টেরলের মতো ঝুঁকির কারণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে কিডনি রোগের সম্ভাবনাও কমে।

যাদের আগে থেকেই কিডনি রোগ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে খাদ্যতালিকা অবশ্যই চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারণ করা উচিত। কারণ রোগের ধরন ও পর্যায়ের ওপর নির্ভর করে প্রোটিন, পটাশিয়াম কিংবা ফসফরাস গ্রহণে সীমাবদ্ধতা প্রয়োজন হতে পারে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
UPCOMING
Argentina VS Egypt
Scheduled
07 Jul, 10:00 PM
VS
World Cup