বৃহস্পতিবার
২০ আগস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
২০ আগস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তমার পেশা নিয়ে জয়ের আপত্তি, ক্ষুব্ধ তমা মির্জা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫৮ পিএম আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০৯ পিএম
এনপিবি গ্রাফিক্স
expand
এনপিবি গ্রাফিক্স

সম্প্রতি অভিনেত্রী তমা মির্জার ব্যাংকে যোগ দেওয়ার খবরকে কেন্দ্র করে অভিনেত্রী ও উপস্থাপক-অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয়ের মধ্যে এক অনলাইন বাকযুদ্ধ তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে বিনোদন অঙ্গন ও নেটিজেনদের মধ্যে বেশ আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত শাহরিয়ার নাজিম জয়ের একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে। তমা মির্জার ব্যাংকে চাকরি পাওয়ার খবরটি ইতিবাচকভাবে দেখতে পারেননি জয়। তিনি নিজের ফেসবুকে লেখেন, তমা মির্জার মতো গুণী অভিনয়শিল্পীরা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের অ্যাম্বাসেডর হতে পারেন, কিন্তু ব্যাংকে চাকরি নেওয়াটা তার কাছে সঠিক সিদ্ধান্ত মনে হয়নি। সংবাদটি সত্যি হলে তিনি মর্মাহত বলে জানান।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, তমা মির্জাকে যদি চাকরি করতে হয়, তবে অন্য নায়িকাদের হয়তো গার্মেন্টসে চাকরি নেওয়া উচিত, যা মিডিয়া অঙ্গনের দৈন্যদশা স্পষ্ট করে। নতুন প্রজন্মের উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ভুল বার্তা দেবে উল্লেখ করে তিনি মন্তব্য করেন, আগে চাকরি নিয়ে পরে পার্টটাইম নায়িকা হওয়াটাই যেন এখনকার বার্তা।

জয়ের এই মন্তব্য চুপচাপ মেনে নেননি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী তমা মির্জা। জয়ের পোস্টের কমেন্ট বক্সে এসে তিনি সরাসরি জবাব দেন। এলএলবি সম্পন্ন করা তমা জানান, তিনি একটি চাকরিজীবী পরিবার থেকে এসেছেন এবং দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আছেন।

তমা মির্জা লেখেন, পেশা হিসেবে অভিনয় করার পাশাপাশি অন্য পেশায় যাওয়া যাবে না- এমন চিন্তাভাবনা থেকে জয় মূলত দুটি পেশাকেই ছোট করেছেন।

এমনকি জয়ের নিয়মিত কন্টেন্ট ক্রিয়েট বা লাইভ শো করার বিষয়টি মনে করিয়ে দিয়ে তমা বলেন, একজন শিক্ষিত মানুষের মুখে এমন মন্তব্য মানায় না। তিনি বর্তমানে অভিনয়ের পাশাপাশি একজন ব্যাংকার এবং এ নিয়ে তিনি গর্বিত।

তমা মির্জার এই উত্তরের পরও দুজনের মধ্যে মন্তব্য ও পাল্টা মন্তব্যের ধারা বজায় থাকে। তারকাদের এ ধরনের প্রকাশ্যে বাদানুবাদ ও কাদা ছোড়াছুড়িকে ইতিবাচকভাবে নেননি অধিকাংশ নেটিজেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এই ঘটনাকে ‘অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক’ ও ‘অপ্রফেশনাল আচরণ’ বলে মন্তব্য করেছেন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank