

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও অনলাইনে বিক্রির অভিযোগে রমনা থানায় দায়ের করা পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গ্রেপ্তার সুমাইয়া সাঈদকে এক দিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে সুমাইয়া সাঈদকে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম দক্ষিণ বিভাগের উপপরিদর্শক মো. রাশেদুল ইসলাম তার তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তাকে সুমাইয়া সাঈদকে এক দিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।
বুধবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন আদালতের সংশ্লিষ্ট প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম।
এর আগে গত ১১ আগস্ট রাতে ভাটারা থানার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর বাড্ডা এলাকার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে আটক করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকেও একটি স্মার্টফোন উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।
ডিবি সূত্র জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও জব্দ করা ডিভাইসের তথ্য বিশ্লেষণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্টের বিজ্ঞাপন, বিক্রয় এবং আর্থিক লেনদেনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে।
দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে ওই দিনই রমনা থানার উপপরিদর্শক সুব্রত দাস পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেন। যেখানে গ্রেপ্তার আসামি সুমাইয়া সাঈদ ও সহযোগী সাকলাইন ফারুকসহ ৬ জনকে আসামি করা হয়।
অন্য আসামিরা হলেন সালমান, মাহতির মো. সিয়াম, শাকির মাহমুদ ও মোহাম্মদ আবু সাঈদ।
তিন দিনের রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামির এ কাজে ব্যবহৃত ইনস্টাগ্রাম আইডির পাসওয়ার্ড, অন্যান্য আসামিসহ অজ্ঞাতদের গ্রেপ্তার, অন্যান্য ডিভাইসে চ্যানেল/আইডিগুলোর নিয়ন্ত্রণ আছে কি না, জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হোক।


