

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সালমান শাহ হত্যা মামলার অন্যতম বিতর্কিত চরিত্র হলেন রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ। সম্প্রতি রিজভী নিজেকে সাবেক রাজসাক্ষী দাবি করে অভিনেত্রী শাবনূরকে নিজের স্ত্রী বলে অদ্ভুদ দাবি তুললে পুরো বিষয়টি নতুন করে বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
কে এই রিজভী আহমেদ?
রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ নব্বইয়ের দশকে চলচ্চিত্রে ব্যাকস্টেজ ও এফডিসিকেন্দ্রিক চলাফেরা করা একজন ব্যক্তি। ১৯৯৭ সালে সালমান শাহর ছোট ভাই বিল্টুকে অপহরণের চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। গ্রেপ্তারের পরই তিনি সালমান শাহ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।আদালতে তিনি একটি রোমহর্ষক জবানবন্দি দেন।
সম্প্রতি শাবনূরকে নিয়ে রিজভীর দাবি এবং বর্তমান বিতর্ক বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে ও সোশ্যাল মিডিয়ায় রিজভী আহমেদ দাবি করেন যে:
১. চিত্রনায়িকা শাবনূর তার স্ত্রী ছিলেন (২০১৬ সালে তাদের বিয়ে এবং ২০১৮ সালে বিচ্ছেদ হয় বলে তিনি দাবি করেন)।
২. তিনি সালমান শাহর মৃত্যুর পেছনে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী এবং অভিনেত্রী শাবনূরকে দায়ী করার চেষ্টা করেন। শাবনূরের প্রতিক্রিয়া ও আসল সত্য রিজভীর এসব মন্তব্য ও দাবির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন অভিনেত্রী শাবনূর।
শাবনূর স্পষ্ট জানান, রিজভীর এসব বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর। রিজভীর সঙ্গে তার জীবনে কোনোদিন দেখা বা যোগাযোগও হয়নি।
শাবনূরের মতে, রিজভী একজন অসঙ্গতিপূর্ণ ব্যক্তি যিনি একেক সময় একেক দাবি করেন।
আগে তিনি নিজেকে খুনের পরিকল্পনাকারী দাবি করে রাজসাক্ষী হয়েছিলেন, পরে সেটাকে আত্মহত্যা বলেছেন, আর এখন আবার উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শাবনূর ও সালমান শাহর মায়ের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছেন।
রিজভী আহমেদ মূলত ১৯৯৭ সালের বিতর্কিত জবানবন্দিদাতা ও তৎকালীন আসামি, যিনি পরবর্তীতে তার বক্তব্য বারবার বদলেছেন। শাবনূরকে স্ত্রী দাবি করা এবং সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডে শাবনূরকে জড়ানো রিজভীর একটি ভিত্তিহীন দাবি হিসেবেই দেখা হচ্ছে।