

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সম্প্রতি ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে ঘটা সংঘর্ষের জেরে, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার ১১ জন শিক্ষার্থী পূর্বনির্ধারিত অনার্স প্রথম ও তৃতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি বলে জানিয়েছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ। তিনি এর জন্য ছাত্রদলকে দায়ী করে বলেন, ভিন্ন রাজনৈতিক মতের কারণে ১১ জন শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন থেকে একটি বছর নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের চেষ্টা করলেও পুলিশি বাধার কারণে তারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি।
শনিবার (৮ আগস্ট) এক বিবৃতিতে এস এম ফরহাদ বলেন, পরীক্ষার দিন সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের প্রায় পুরো সময় বাইরে আটকে রাখা হয়। পরীক্ষার বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলেও তারা কোনো সহযোগিতা করেনি।
শিবিরের দাবি অনুযায়ী, পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীরা হলেন- মাহবুব, সাইমুম, মুজাহিদ, রাহাদুল, মাহমুদুল হাসান, মঈন উদ্দিন, সিফাতুল্লাহ, তারিকুল ইসলাম, রিজওয়ান, মুবাসির ও আরিফুল।
তার দাবি, পরীক্ষা শুরু হওয়ার পরও শিক্ষার্থীরা প্রায় এক ঘণ্টা বাইরে অপেক্ষা করেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।
শিবিরের এই নেতা আরও অভিযোগ করেন, কয়েকদিন আগে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষের ওপর হামলার ঘটনার পর শিক্ষকরা আতঙ্কিত ছিলেন। সে কারণে বাইরে অপেক্ষমাণ শিক্ষার্থীদের বিষয়ে তারা কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি।
এস এম ফরহাদ অভিযোগ করে আরও বলেন, ঢাকা আলিয়ার আবাসিক হলগুলোতে ভাঙচুর, চুরি এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। তিনি এসব ঘটনার জন্য ছাত্রদলকে দায়ী করেন।
তিনি বলেন, দেশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আবাসিক হলে অছাত্রদের থাকার সুযোগ থাকা উচিত নয়। হলগুলো নিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য নিশ্চিত করতে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।