

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ছেঁড়া, ফাটা ও অপ্রচলনযোগ্য নোট বদল এবং দাবিযোগ্য নোট বিনিময়ের সেবা নিয়মিতভাবে দেওয়ার জন্য দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল) এর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
সংসদ সদস্যের প্রশ্ন ছিল, দেশের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষ বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ছেঁড়া, ফাটা ও অতিরিক্ত ব্যবহৃত কাগুজে নোট সংগ্রহ করে নতুন নোটের সঙ্গে বিনিময় করে থাকেন। এর মাধ্যমে একদিকে ব্যবহারযোগ্য মুদ্রা ব্যাংকে জমা হয়, অন্যদিকে এসব মানুষ সামান্য লাভের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। বর্তমানে নতুন টাকা দেওয়া বন্ধ থাকায় অনেকের জীবিকার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। এই কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হবে কি না।
জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন সময়ে জারি করা সার্কুলারের মাধ্যমে জনসাধারণকে অপ্রচলনযোগ্য, ত্রুটিপূর্ণ ও দাবিযোগ্য নোট বিনিময়সংক্রান্ত সেবা নিয়মিতভাবে দেওয়ার জন্য দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে নির্দেশনা দিয়েছে। এ ধরনের সেবা বর্তমানে চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, নতুন নোট মুদ্রণ ও বাজারে প্রচলন একটি স্বাভাবিক ও চলমান প্রক্রিয়া। নতুন মুদ্রিত নোট ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে লেনদেন ও বিনিময় সেবার মাধ্যমে নিয়মিতভাবে জনসাধারণের হাতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে ছেঁড়া ও ফাটা নোট বদল বা বিনিময় করা স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
ফলে ছেঁড়া, ফাটা বা ত্রুটিপূর্ণ নোট থাকলে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে তা বিনিময়ের সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।


