

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের বেতন-ভাতা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে অর্থ বিভাগের কাছে পাঠানো এক প্রস্তাবে চেয়ারম্যানের মাসিক বেতন-ভাতা ৪ গুন বাড়িয়ে ৬ লাখ টাকা এবং কমিশনারদের ৪ লাখ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রস্তাবনা অনুযায়ী, গত ৪ জুন নিয়োগপ্রাপ্ত বিএসইসির চেয়ারম্যান ও তিন কমিশনারের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারণ করার কথা রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে তাদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বিএসইসিতে চেয়ারম্যান ও তিন কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
দাপ্তরিক নথিতে দেখা যায়, এর আগে অর্থ বিভাগের ২০১৬ সালের নির্ধারিত কাঠামো অনুযায়ী বিএসইসির চেয়ারম্যানের মাসিক মূল বেতন ছিল ৮৬ হাজার টাকা। একই পরিমাণ বাসস্থান, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতা এবং ৩ হাজার টাকা আপ্যায়ন ভাতা পেতেন তিনি। ফলে চেয়ারম্যানের মোট মাসিক সুবিধা দাঁড়াত প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
অন্যদিকে কমিশনারদের মাসিক মূল বেতন ছিল ৭৮ হাজার টাকা। একই পরিমাণ বাসস্থান, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতার সঙ্গে ২ হাজার ৫০০ টাকা আপ্যায়ন ভাতা যুক্ত হয়ে তাদের মোট মাসিক সুবিধা দাঁড়াত প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫০০ টাকা।
নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পরবর্তীতে অর্থ বিভাগের আরেকটি স্মারকের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের জন্য সার্বক্ষণিক গাড়ি, অফিস ও আবাসিক টেলিফোন সুবিধাও দেওয়া হয়।
বর্তমান প্রস্তাবে চেয়ারম্যানের জন্য মাসিক ৬ লাখ টাকা এবং কমিশনারদের জন্য ৪ লাখ টাকা (সর্বসাকুল্যে) বেতন-ভাতা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রচলিত বিধি অনুযায়ী জ্বালানির নির্ধারিত সীমাসহ চালকযুক্ত সার্বক্ষণিক গাড়ি এবং অফিস ও আবাসিক টেলিফোন সুবিধা বহাল রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, দেশের চলমান মূল্যস্ফীতি এবং নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের যোগ্যতা ও দক্ষতা বিবেচনায় নিয়ে তাদের বেতন-ভাতা পুনর্নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
উল্লেখ্য, বিএসইসি দেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে কাজ করে এবং এর চেয়ারম্যান ও কমিশনাররা পুঁজিবাজারের নীতিনির্ধারণ, তদারকি ও নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।