

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় বসতঘরে মিলল হাসুম শেখ নামে (৩২) এক মুদি দোকানির মরদেহ। রবিবার (২৬ জুলাই) সকাল ৬ টার দিকে উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের দেওয়াডাঙ্গা গ্রামের নিজ বসতঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিস আলী।
নিহত হাসুম শেখ দেওয়াডাঙ্গা গ্রামের আকবর শেখের ছেলে। এঘটনায় সন্দেহভাজন মিলন শেখ (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। মিলন শেখ ওই গ্রামের গফফার শেখের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে স্থানীয় মিলন শেখ নামে এক ব্যক্তি হাসুম শেখকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে রাত ৩ টার দিকে হাসুম শেখকে আবার বাড়িতে পৌছে দিয়ে যায় মিলন শেখ। সকালে ডাকাডাকির একপর্যায়ে ঘুম থেকে না উঠলে প্রতিবেশীদের ডেকে আনেন হাসুম শেখের স্ত্রী। এ সময় প্রতিবেশীরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে ওই চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে হাসুম শেখের এমন রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় সন্দেহে স্থানীয় মিলন শেখ নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করে মারধর করে এলাকাবাসী। খবর পেয়ে কালিয়া থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়ার চেষ্টা করলে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পুলিশের ওপর চড়াও হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকা জুড়ে থমথমে পরিস্থিতি ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে কালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইদ্রিস আলী বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ময়নাতদন্তের পর তার মৃত্যুর আসল কারন জানা যাবে। এ ঘটনায় মিলন শেখ নামে একজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।


