

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঈদুল আজহার ছুটির প্রথম দিনেই পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত ও ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে সকালে যানবাহনের দীর্ঘ সারি পড়েছে। এতে প্রচন্ড গরমে ভোগান্তিতে পড়েছেন ঈদ যাত্রীরা। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে চাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
সোমবার (২৫ মে) সকাল ৬টা থেকে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত যানবাহনের বাড়তি চাপ থাকলেও সারাদিন প্রায় ফাঁকা ছিলো এ রুটটি। এতে স্বস্তিতে পারাপার হতে পেরে আনন্দিত দক্ষিণ বঙ্গের ২১ জেলার মানুষ। তবে বাড়তি ভাড়া আদায়ে যাত্রীদের ভোগান্তি দেখা যাচ্ছে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পদ্মা সেতু উত্তর থানার সামন থেকে পদ্মা সেতু পারি দিতে জন প্রতি নেয়া হচ্ছে দুই'শত টাকা। তবু্ও মিলছে না সীট। দাঁড়িয়ে পাড়ি দিতে হচ্ছে পদ্মা সেতু। থানার নিকট থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে দুঃখপ্রকাশ করছেন অনেকেই। ভুক্তভোগীরা বলছেন, প্রতি বছর এভাবে বাড়তি ভাড়া নিচ্ছে। প্রতিবাদ করতে গেলে অপমানিত হতে হয়। বাসের স্টাফ গায়ে হাত পর্যন্ত তুলে।
এ দিকে শুধু পদ্মা সেতু পারি নয়। অনেকে যাচ্ছেন খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জায়গায়। এদের থেকেও নেয়া হচ্ছে বাড়তি ভাড়া। এ বিষয়ে যাত্রীরা আরও অভিযোগ দিয়ে বলেন, আমাদের থেকেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে কিন্তু তারপরও মিলছে না সিট। যেখানে ভাড়া ২৫০ টাকা হওয়ার কথা সেখানে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে।
সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পদ্মা সেতুর সাইড অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদ বলেন, ঈদকে সামনে রেখে আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে। মোটরসাইকেলের জন্য অতিরিক্ত দুটি লেনসহ মোট ১০টি লেন চালুর জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে রয়েছে পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
জেলা প্রশাসক পুলিশ মো. মেনহাজুল আলম জানান, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে পদ্মা সেতু দিয়ে দক্ষিণবঙ্গগামী যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে ৬টি টিম কাজ করছে। এরমধ্যে ৪টি স্থানে চেকপোস্ট ও ২টি মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছে।
জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী জানান, অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার কোন সুযোগ নেই। আমাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছেন। কোন পরিবহন যদি অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে থাকে তাহলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।