

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গাইবান্ধায় পুলিশ সুপারের বাসভবনের ব্যারাক থেকে হাবিবুর রহমান (৩৩) নামে এক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত হাবিবুর রহমান গাইবান্ধা পুলিশ লাইনে নায়েক পদে কর্মরত ছিলেন।
বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনের শহরের সরকারি বাসভবনের ব্যারাক থেকে ওই পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ব্যারাকে থাকা অবস্থায় স্ত্রীকে ভিডিও কলে রেখে ওই পুলিশ সদস্য আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন । তিনি জানান, বুধবার বিকেল চারটার দিকে পুলিশ সুপার মো. জসীম উদ্দিনের বাসভবনের গার্ড রুম সংলগ্ন টয়লেটের ভেতরে ছাদের একটি বাঁকানো লোহার সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় পাওয়া যায়।
নিহত হাবিবুর রহমানের বাড়ি নীলফামারী সদর উপজেলার সরদারপাড়ায়। তিনি ওই এলাকার মন্টু মিয়ার ছেলে। তার ৫-৭ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর টয়লেটে প্রবেশের পর দীর্ঘ সময় বের না হওয়ায় গার্ড রুমে থাকা অন্য পুলিশ সদস্যরা তাকে ডাকাডাকি করেন। ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে তারা দরজায় ধাক্কা দেন। পরে দরজা খুলে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এরপর তাকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সুপার মো. জসীম উদ্দিন জানান, প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন আগে পুলিশ লাইন থেকে তার বাসভবনে দায়িত্ব পালনের জন্য হাবিবুর রহমানকে আনা হয়েছিল। ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। তবে তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়া হয়েছে।


