

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জমির উর্বরতা বাড়ানোর কোনো উপাদান নয়, লাল ও সাদা মাটি মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে সার। ভুয়া উপকরণে বানানো হচ্ছে কীটনাশক ও জমি উর্বরতার বিভিন্ন ওষুধ।
কেরানীগঞ্জে মেঘনা, পদ্মা ফার্টিলাইজার নামে এমন একাধিক কারখানায় অভিযান চালিয়ে প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা মূল্যের ভেজাল সার ও নকল কীটনাশক জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাজনৈতিক দলের পৃষ্ঠপোষকতায় চলছিলো কারখানাগুলো। এবং সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার মিজানের পৃষ্ঠোপোষকতা সরাসরি যুক্ত রয়েছে এতে।
জানা যায়, গাজীপুর থেকে ট্রাকে করে আনা হয় মাটি। এরপর মেশানো হয় ক্ষতিকর বিভিন্ন উপকরণ। এভাবেই তৈরী হচ্ছে টিএসপি সার ও নানান ব্র্যান্ডের কিটনাশক।
কারখানাতে সারের পাশাপাশি বানানো হতো প্রায় ২০ থেকে ৩০টি কোম্পানির কীটনাশক ওষুধ ও নকল কৃষি উপকরণ।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহুয়া শারমিন মুনমুন বলছেন, নকল পণ্য ব্যবহারে উৎপাদন কমার পাশাপাশি মাটির উর্বরতাও কমে যাচ্ছে। অভিযানে ভোক্তা অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, ‘তাদের নামে কোন লাইসেন্স নাই। তাদেরকে কোন অনুমতি পত্রও দেয়া হয় নাই কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে।’
অভিযানে সার কারখানার মালিক-শ্রমিক পাওয়া না গেলেও কীটনাশক উৎপাদনকারী একজনকে ২ মাসে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে সীলগালা করা হয়েছে।

