

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নতুন ধারা বাংলাদেশ এবং রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের (এসডিএফ) নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় নতুন ধারা বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা এবং এসডিএফের সদস্যসচিব আ ন ম আয়াশসহ উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অভিযোগ উঠেছে, চিকিৎসা নেওয়ার সময় শান্তা ফারজানাসহ তার দলের নেতাদের অবরুদ্ধ করে রাখে প্রতিপক্ষ।
জানা গেছে, গত ১ আগস্ট শান্তা ফারজানাকে মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নতুন ধারা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একটি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। ওই কর্মসূচিতে এসডিএফ নেতা আ ন ম আয়াশ ও তার অনুসারীরা উপস্থিত হলে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা এবং পরে সংঘর্ষ বাধে।
এসডিএফ নেতাদের দাবি, শান্তা ফারজানার কর্মসূচিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের যোদ্ধা এবং বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হচ্ছিল। এর প্রতিবাদ জানালে শান্তা ফারজানার লোকজন তাদের ওপর হামলা চালান।
অন্যদিকে, নতুন ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মেহেদি মোমিন এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা পূর্বনির্ধারিত প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছিলেন এবং সেখানে গণমাধ্যমকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। হঠাৎ করেই আয়াশের নেতৃত্বে একদল লোক তাদের ওপর হামলা চালায় এবং সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
সংঘর্ষে আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে আরেক দফা হট্টগোল শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঞ্চ২৪-এর আহ্বায়ক ফাহিম ফারুকী ও তার অনুসারীরা হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে শান্তা ফারজানার বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। ফাহিম ফারুকী দাবি করেন, শান্তা ফারজানা জুলাই যোদ্ধা ও বিএনপিকে নিয়ে কটূক্তি করেছেন, তাই তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে। এ সময় তারা জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন শান্তা ফারজানাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, জরুরি বিভাগে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ হট্টগোলের কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টা চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হয়। এতে অন্যান্য রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে এক পক্ষ হাসপাতালের ভেতরে এবং অপর পক্ষ বাইরে অবস্থান করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সচেষ্ট রয়েছে।