মঙ্গলবার
২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াত নেতাকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ালেন ১১ দলের প্রার্থী

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:২২ এএম
এম এয়াকুব আলী
expand
এম এয়াকুব আলী

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলমকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ১১ দল সমর্থিত ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) মনোনীত প্রার্থী এম এয়াকুব আলী।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় চট্টগ্রাম নগরের নাসিরাবাদ এলাকায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

এর ৫ দিন আগে তাকে ওই আসনের প্রার্থী ঘোষণা করেছিল ১১ দল।

সংবাদ সম্মেলনে এম এয়াকুব আলী বলেন, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার কারণে প্রতীক চূড়ান্ত পেতে বিলম্ব হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করা সম্ভব হয়নি।

এতে গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হয়েছে। বর্তমানে যে স্বল্প সময় অবশিষ্ট রয়েছে, তাতে নির্বাচনী কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ বিবেচনায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি জানান, ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রধান শরিক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলমকে তিনি পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

একই সঙ্গে নেতাকর্মীদের ডা. ফরিদুল আলমের পক্ষে মাঠে থেকে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি রাতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত সমাবেশে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এলডিপির প্রার্থী এম এয়াকুব আলীকে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছিল জামায়াতে ইসলামী। সে সময় দলটি নিজেদের প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলমকে প্রত্যাহারের ঘোষণাও দেয়।

ওই সময় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুহাম্মদ নুরুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সমাবেশে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন জেলা জামায়াতের আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরী।

উল্লেখ্য, গত ২২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম-১২ আসনে এলডিপির মনোনীত প্রার্থী ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এম এয়াকুব আলীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এর একদিন পর নির্বাচন কমিশন তাকে প্রতীক বরাদ্দ দেয়।

এর আগে ঋণখেলাপির অভিযোগে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন। নির্বাচন কমিশনে আপিল করেও প্রতিকার না পেয়ে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। পরে আদালত তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন