শুক্রবার
৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাত্রলীগ নেতার অভিযোগ ৫ লক্ষ টাকা চেয়েছে, জেলার বললেন সম্পূর্ণ মিথ্যা

বাগেরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:২২ পিএম আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৪৫ পিএম
নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা সাদ্দাম ও বাগেরহাট জেলা কারাগারের জেলার খোন্দকার মো. আল-মামুন
expand
নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা সাদ্দাম ও বাগেরহাট জেলা কারাগারের জেলার খোন্দকার মো. আল-মামুন

বাগেরহাটের জেলারের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ করেছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা জুয়েল হাসান (সাদ্দাম)। কারাগার থেকে জামিনে বেরিয়ে বুধবার সন্ধার পর বাগেরহাটে পৌঁছান তিনি। পরে স্ত্রী-সন্তানের কবর জিয়রত করে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি ওই অভিযোগ করেন তিনি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাগেরহাট জেলা কারাগারের জেলার খোন্দকার মো. আল-মামুন।

গ্রেপ্তারের পর গত বছরের ৬ এপ্রিল আদালতের নির্দেশে জুয়েল হাসানকে (সাদ্দাম) বাগেরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। ২২ জুলাই ২০২৫ বাগেরহাট থেকে তাকে প্রশাসনিক কারণে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

সাদ্দাম বলেন, বাগেরহাটের জেলার আমার কাছে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছে, যে যদি, বাগেরহাট থাকতে হয়, ৫ লক্ষ টাকা দিতে হবে। সাদ্দামের করা এমন একটি বক্তব্যের ভিডিও এরই মধ্যে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বুধবার রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় সাদ্দাম ওই দাবি করেছিলেন। ভিডিও ওই ভাইরাল অংশ নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে।

একই বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, আমি কারাগারে ঢোকার পর থেকে, আগের থেকে আমার বাগেরহাটের সংসদ সদস্য তন্ময় ভাই (বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও শেখ হাসিনার ভাগ্নে শেখ তন্ময়) আমার পরিবারের সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নিছে। জেলে আমার পিসির টাকা, জামিনের টাকা, সম্পূর্ণ আমার ভাই ....।

নিজেকে নির্দোষ এবং রাজনৈতিক বন্দী দাবি করে সাদ্দাম বলেন আমার স্ত্রী অনেক হতাশাগ্রস্থ ছিল। আমাকে তিনটে মাস সেলে রাখা হয়েছে, সেল বন্দী।

তবে কারা কর্তৃপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, ওই বন্দী শুরু থেকে অনেক বেশি আক্রমনাত্মক ছিল। বিভিন্ন জনকে গালাগাল এমনকি মারধরও করেছে। নিরাপত্তার জন্য তাকে সেলে দেওয়া হয়েছিল। সেখানে চলাচলটা সংরক্ষিত থাকে। সেল কোন শাস্তির জায়গা না।

সাদ্দামের অভিযোগের সম্পূর্ণ মিথ্যা উল্লেখ করে বাগেরহাট জেলা কারাগারের জেলার খোন্দকার মো. আল-মামুন বলেন, ‘তার আচারণের কারণেই তাকে যশোরে পাঠানো হয়। এখানে অন্যকোন ঘটনা নেই। আর জেলার চাইলেই কাউকে অন্য জেলে স্থানান্তর করতে পারে না। এ ধরণের ভিত্তিহীন কথার আমি প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বাগেরহাট কারাগারের নথি অনুযায়ী, বন্দী অবস্থায় গত বছরের ১২ মার্চ তিনি একজন সেল ইনচার্জকে (বাদশা মিয়া) হুমকি দেন এবং গালাগাল করেন। ৬ জুলাই অপর এক বন্দীকে মারধর করেন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X