

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় গরু, মহিষ ও দুম্বা পাচার ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্তজুড়ে বাড়ানো হয়েছে টহল, নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতা।
কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে চোরাকারবারি চক্র। সীমান্ত পথে অবৈধভাবে ভারতীয় পশু দেশে প্রবেশের আশঙ্কায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর, আখাউড়া ও কসবা উপজেলার সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সঙ্গে ভারতের প্রায় ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদ সামনে রেখে ভারতীয় পশু পাচারের চেষ্টা বাড়তে পারে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির পশুর চাহিদা প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার। এর বিপরীতে জেলায় প্রস্তুত রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৩৩ হাজার কোরবানিযোগ্য পশু। স্থানীয় খামারি ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশীয় পশু দিয়েই জেলার চাহিদা পূরণ সম্ভব। এ অবস্থায় ভারতীয় পশু অবৈধভাবে বাজারে প্রবেশ করলে স্থানীয় খামারিরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু প্রবেশ করলে দেশীয় পশুর দাম কমে যায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হন খামারি ও ব্যবসায়ীরা।
এ বিষয়ে সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল জাব্বার আহমেদ বলেন, “২৫ বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর ও আখাউড়া এবং হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অব্যাহত রয়েছে।”