

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ অর্থের সঠিক ব্যবহার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বরগুনার তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম।
খাল পুনঃখননের কাজ নির্ধারিতভাবে সম্পন্ন করার পর প্রকল্পের অব্যবহৃত ২২ লাখ ৩৯ হাজার ২৪৯ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (১২ আগস্ট) তালতলী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আল-মাসুম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি’র আওতায় তালতলী উপজেলার বড়বগী ও বড় ভাইজোড়া খালের প্রায় ৫ কিলোমিটার পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
১ কোটি ২৮ লাখ ৭৮ হাজার ৫৩৭ টাকা বরাদ্দের এ প্রকল্পটি বড়বগী ইউনিয়নের ছাতনপাড়া এলাকার মোশাররফ হোসেন খানের বাড়ি থেকে শুরু হয়ে খাজুরা কালভার্ট অতিক্রম করে ছোটবগী ইউনিয়নের বলের তবক এলাকার ওয়াজেদ কমিশনারের বাড়ি পর্যন্ত বিস্তৃত।
প্রকল্পের আওতায় নির্ধারিত সময়ে ২৯৭ জন শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ এবং নির্ধারিত কাজ সম্পন্ন করার পর বরাদ্দের একটি অংশ অব্যবহৃত থেকে যায়। পরবর্তীতে অব্যবহৃত ২২ লাখ ৩৯ হাজার ২৪৯ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। এ অর্থ ২৬২৭-০০০৮৫৬৯৮৬৩১ নম্বর চালানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, জনগণের করের টাকার যথাযথ ব্যবহার ও সংরক্ষণ করা সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার পর অবশিষ্ট অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সরকারি অর্থের সাশ্রয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।
প্রকল্পের অবশিষ্ট অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার এ উদ্যোগকে স্থানীয়ভাবে সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


