বুধবার
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বুধবার
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তালতলীতে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম

তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪৪ পিএম
আহত মো. আমিনুল ইসলাম লিটন মোল্লা
expand
আহত মো. আমিনুল ইসলাম লিটন মোল্লা

বরগুনার তালতলী উপজেলায় বিএনপির এক নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। আহত ব্যক্তি হলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ছোটবগী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মো. আমিনুল ইসলাম লিটন মোল্লা (৫০)। এ ঘটনায় তাঁর ভাতিজা শহীন মোল্লা (৩৪) আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের গাবতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের স্বজনেরা উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই দিন একটি বাড়িতে শালিস বৈঠক চলছিল। বৈঠকে ইমন মোল্লা নামের একজন কথা বলায় ক্ষুব্ধ হন হেলাল আকন ও তাঁর ভাই ফারুক আকন। একপর্যায়ে তাঁরা ইমনকে মারধর করলে শালিস ভেঙে যায়।

অভিযোগ রয়েছে, কিছুক্ষণ পর হেলাল আকন, শহীদুল আকন ও ফারুক আকনের নেতৃত্বে ২০–২৫ জনের একটি দল গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকার একটি দোকানে বসে থাকা আমিনুল ইসলাম লিটন মোল্লার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে তাঁকে গুরুতর জখম করে। এ সময় চাচাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে শহীন মোল্লাকেও মারধর করা হয়।

চিকিৎসাধীন আমিনুল ইসলাম লিটন মোল্লা বলেন, শালিস বৈঠকে তাঁর ভাতিজাকে মারধরের ঘটনার জেরে পরিকল্পিতভাবে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতির কারণে প্রতিপক্ষরা এ হামলা চালিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ২০–২৫ জনের একটি দল অতর্কিত হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র ও লাঠি-রড দিয়ে মারধর করে দুইজনকে গুরুতর আহত করে।

তবে অভিযুক্ত হেলাল আকন ঘটনার কথা স্বীকার করলেও নিজে মারধরে জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, ঘটনাস্থলে অনেক লোক উপস্থিত ছিল।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুল রহমান বলেন, বিষয়টি তাঁদের জানা আছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X