

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা উপজেলার ঘুমধুম এলাকার টিভি টায়ার রেডিয়ান্টের পুড়া পাহাড়জুড়ে গড়ে উঠেছে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ও জমজমাট কোরবানির পশুর হাট। প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও পাহাড়জুড়ে গাছের ছায়াঘেরা স্বস্তিকর পরিবেশে হাজারো ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
বুধবার (২৭ মে) কোরবানির পশুর শেষ বাজার হওয়ায় সকাল থেকেই হাটে ছিল উপচে পড়া ভিড়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খামারিরা গরু নিয়ে এ হাটে আসেন। পাহাড়ের ওপর-নিচজুড়ে বিস্তৃত হওয়ায় বাজারটির সম্পূর্ণ দৃশ্য একসাথে ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
হাটে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের গরু কেনাবেচা হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সাধারণ ক্রেতাদের উপস্থিতিতেও পুরো বাজার প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে ওঠে। কোরবানিকে কেন্দ্র করে কয়েকদিন ধরেই এ হাটে জমে উঠেছে বেচাকেনা।
নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর ব্যবস্থা। ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি প্রায় ১,৫০০ জন স্বেচ্ছাসেবী হাটের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালন করছেন।
এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা থানা ইনচার্জ মোজাম্মেল হক বলেন, কোরবানির পশুর হাটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতারা যেন নিরাপদে বেচাকেনা করতে পারেন, সেজন্য পুলিশ সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।
এদিকে বান্দরবানের অ্যাডজুট্যান্ট রেজিস্ট্রারও হাট পরিদর্শন করেন। সকাল থেকেই তিনি বৃহত্তর এই কোরবানির পশুর হাটে উপস্থিত থেকে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
স্থানীয়দের দাবি, প্রতিবছরের মতো এবারও ঘুমধুমের এই বৃহৎ পশুর হাট কোরবানির পশু কেনাবেচার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।