

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটের জামবাড়িয়া ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার) মো. মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভূমিসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা দিতে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের মধ্যে নগদ অর্থ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল সেই ভিডিও নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের একটি কক্ষে টেবিলের সামনে বসা এক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে মো. মফিজুল ইসলাম নগদ অর্থ নিচ্ছেন। পরে তিনি টাকাগুলো গুনে নিজের পকেটে রাখেন। তবে ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, ভূমি অফিসের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি দাবি করছেন, কাগজপত্র ঠিক থাকলে নামজারি (খারিজ) করতে ৬ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের সেবার ক্ষেত্রে ২০০ টাকা থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
জামবাড়িয়া ইউনিয়নের সেবাগ্রহীতা মো. শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, একটি দলিলের নামজারির জন্য তার কাছে ৬ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে দুটি দলিলের জন্য ৯ হাজার টাকা চাওয়া হলে তিনি বাধ্য হয়ে সেই টাকা দেন।
এ ছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সেবাগ্রহীতা অভিযোগ করেন, ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে ঘুষের লেনদেন চলে আসছে। নির্ধারিত ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ না দিলে অনেক সময় ফাইল আটকে রাখা হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জামবাড়িয়া ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার) মো. মফিজুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, “এ বিষয়ে আমার কিছুই বলার নেই। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে কথা বলুন।”
ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাহিদ হোসেন বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি প্রাথমিকভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”