

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গত দুইদিনের টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধস ঘটনায় কক্সবাজার জেলায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ জনে। এর আগে রোববার দিবাগত রাতে উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে পৃথক তিনটি পাহাড়ধসে ৮ রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়। একই সময় কক্সবাজার শহরে পাহাড়ধসে প্রাণ হারান আরও একজন। এছাড়া পেকুয়া উপজেলায় টানা বৃষ্টিতে মাটির ঘর ধসে মারা যায় একটি শিশু। সর্বশেষ নাছিমা আক্তার লিমা নামের এক গৃহবধূর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রাণহানির সংখ্যা ১২ জনে পৌঁছেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন কক্সবাজারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এতে নতুন করে পাহাড়ধসের আশঙ্কাও রয়েছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রমও চলছে। তবে বড়ছড়াসহ জেলার অনেক পাহাড়ি বসতিতে এখনো অসংখ্য পরিবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সচেতন মহলের মতে, প্রতিবছর বর্ষা এলেই কক্সবাজারে পাহাড়ধসের পুনরাবৃত্তি ঘটে। প্রাণহানির ঘটনাও নতুন নয়। তারপরও ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসতি স্থাপন পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি। একই সঙ্গে কার্যকর ও স্থায়ী পুনর্বাসন ব্যবস্থার অভাবও রয়ে গেছে। ফলে প্রতিটি বর্ষায় নতুন করে প্রাণহানির শঙ্কায় দিন কাটাতে হচ্ছে পাহাড়ঘেঁষা বসতির হাজারো মানুষকে। সর্বশেষ এই দুর্ঘটনাও আবারও প্রশ্ন তুলেছে, আর কত প্রাণ ঝরলে মিলবে স্থায়ী সমাধান।