

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আবারও তীব্র হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ইরানের ওপর একাধিক হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ইরানও উপসাগরীয় অঞ্চলে পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে।
এর পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোকে লক্ষ্য করে মার্কিন বাহিনীর অবরোধ কার্যকর হওয়ায় সাম্প্রতিক শান্তি উদ্যোগের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, বুধবার মধ্যরাতের পর ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকা থেকে যাতায়াতকারী জাহাজগুলোর ওপর অবরোধ কার্যকর করার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। একই সময়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ঘোষণা দেয়, তারা ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফার সামরিক অভিযান শুরু করেছে।
এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, সিরিক ও বন্দর আব্বাস শহর এবং আশপাশের এলাকায় মার্কিন হামলা হয়েছে। সেন্টকমের দাবি, এসব অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা দুর্বল করা।
এর আগের দিন ইরানি কর্মকর্তারা জানান, আবাদান, মাহশাহর, কেশম ও কিশ দ্বীপেও যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে। এরও আগে বুশেহর ও বন্দর আব্বাসে মার্কিন অভিযানের পর জবাবে ইরান ওমান উপকূলসংলগ্ন হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী দুটি জাহাজে হামলা চালায়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় একজন নাবিক নিহত হন। একই সময়ে কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডানকেও লক্ষ্য করে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে।
তেহরান থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক রেসুল সারদার বলেন, সংঘাতটি এখন কম তীব্রতার হলেও দীর্ঘস্থায়ী রূপ নিচ্ছে। তাঁর মতে, পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের ঝুঁকি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
দোহা থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক ভিক্টোরিয়া গেটেনবি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় উপসাগরীয় দেশগুলো এবং জর্ডানে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। কারণ, ইরানের হামলার আশঙ্কা এখনো পুরোপুরি কাটেনি।
এদিকে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দুটি সুপারট্যাংকারে হামলার দায় স্বীকার করেছে। তাদের দাবি, একাধিকবার সতর্ক করার পরও জাহাজ দুটি নির্দেশনা অমান্য করায় সেগুলোকে অচল করে দেওয়া হয়েছে।