

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নতুন করে জটিলতার মধ্যে পড়েছে। ইরানি গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, লেবানন ও গাজা পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষের কারণে ওয়াশিংটনের সঙ্গে চলমান পরোক্ষ আলোচনা সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরান।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, লেবাননে হিজবুল্লাহবিরোধী ইসরায়েলি অভিযান এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে বিরোধের জেরে আলোচনায় অগ্রগতি থমকে গেছে। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমও একই ধরনের তথ্য প্রকাশ করেছে।
তাসনিমের দাবি, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পরিচালিত আলোচনা এবং খসড়া নথি বিনিময়ের প্রক্রিয়া আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। দেশটির অবস্থান হলো, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত থাকায় শান্তি উদ্যোগের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ইরানি কর্মকর্তারা বলেছেন, লেবানন ও গাজা—উভয় ক্ষেত্রেই যুদ্ধবিরতির শর্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। তাদের মতে, বিদ্যমান সমঝোতার বিভিন্ন দিক লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে লেবাননের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বাইরে একটি কৌশলগত স্থাপনা ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার পর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বৈরুতে হিজবুল্লাহর একটি কথিত সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
ইরান দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, গাজা ও লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধ করা এবং লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার যেকোনো সম্ভাব্য রাজনৈতিক সমাধানের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। তেহরানের মতে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এসব বিষয়কে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
