মঙ্গলবার
২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০৩০ বিশ্বকাপে সরাসরি অংশ নেবে যে ৬ দেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৫০ এএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে ২০৩০ সাল যোগ করতে যাচ্ছে এক নতুন অধ্যায়। শতবর্ষের বিশেষ আয়োজনে প্রথমবারের মতো তিন মহাদেশের ছয়টি দেশে অনুষ্ঠিত হবে ফুটবলের সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতা। আয়োজনের এই বৈচিত্র্য বিশ্বকাপকে নিয়ে তৈরি করেছে বাড়তি আগ্রহ।

১৯৩০ সালে উরুগুয়ের মাটিতে শুরু হয়েছিল ফুটবল বিশ্বকাপের যাত্রা। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে তুলতেই ২০৩০ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী আয়োজন ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ আমেরিকায়। মূল টুর্নামেন্টের আয়োজক হিসেবে থাকছে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। তবে শতবর্ষ উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতেও অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের ম্যাচ।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে উরুগুয়ের রাজধানী মন্টেভিডিওতে—যে শহরেই ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনাল হয়েছিল। এছাড়া আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে একটি করে ম্যাচ আয়োজন করা হবে। এরপর প্রতিযোগিতার মূল অংশের বাকি ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোর বিভিন্ন স্টেডিয়ামে।

২০৩০ বিশ্বকাপে স্বাগতিক সুবিধায় সরাসরি মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাচ্ছে ছয়টি দেশ। এর মধ্যে রয়েছে স্পেন, পর্তুগাল, মরক্কো, উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে।

স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো মূল আয়োজক হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই তারা সরাসরি জায়গা পেয়েছে। অন্যদিকে, প্রথম বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েকে বিশেষভাবে এই সুযোগ দিয়েছে ফিফা।

বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য সম্ভাব্য ২৩টি স্টেডিয়ামের পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে ফিফা। এর মধ্যে রয়েছে বিশ্বের কিছু ঐতিহ্যবাহী ও আধুনিক ফুটবল ভেন্যু।

সম্ভাব্য স্টেডিয়ামগুলোর মধ্যে আছে স্পেনের ক্যাম্প ন্যু ও সান্তিয়াগো বার্নাব্যু, পর্তুগালের এস্তাদিও দা লুজ, মরক্কোর হাসান-২ স্টেডিয়াম, আর্জেন্টিনার এস্তাদিও মনুমেন্টাল এবং উরুগুয়ের ঐতিহাসিক এস্তাদিও সেন্টেনারিও।

একই আসরে ইউরোপ, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার সংযোগ ঘটিয়ে ২০৩০ বিশ্বকাপ শুধু একটি ফুটবল প্রতিযোগিতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের উদ্‌যাপন হয়ে উঠতে যাচ্ছে।

শতবর্ষের এই আয়োজনের মাধ্যমে ফিফা এমন এক বিশ্বকাপ উপহার দিতে চায়, যেখানে অতীতের স্মৃতি ও ভবিষ্যতের ফুটবল—দুটিই একসঙ্গে প্রতিফলিত হবে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন