

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা দক্ষিণ ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা এবং নৌযানগুলোকে টার্গেট করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে বলেছে, এই হামলাগুলো “আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে” চালানো হয়েছে এবং “ইরানি বাহিনীর হুমকি থেকে আমাদের সেনাদের সুরক্ষিত রাখতেই” এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সেন্ট্রাল কমান্ডের এক মুখপাত্র বলেন, চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেও মার্কিন বাহিনী “সংযম প্রদর্শন করে নিজেদের সুরক্ষা অব্যাহত রেখেছে।”
এ হামলার খবর এমন সময় এলো, যখন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘাই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হয়েছে, তবে সংঘাত শেষ করার জন্য কোনো চুক্তি “তাৎক্ষণিকভাবে হতে যাচ্ছে না।”
সর্বশেষ মার্কিন হামলার বিষয়ে এখনো ইরানের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। এছাড়া সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির ওপর এ হামলার কী প্রভাব পড়বে, তাও এখনো স্পষ্ট নয়।
সপ্তাহান্তে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, দুই পক্ষ একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। তবে পরে তিনি বলেন, তিনি আলোচকদের “তাড়াহুড়া না করতে” নির্দেশ দিয়েছেন।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও বলেছেন, সোমবারের মধ্যেই হয়তো একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হতে পারে।
কিন্তু সোমবার বাঘাই এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এটা ঠিক যে আলোচ্য বিষয়গুলোর বড় একটি অংশে আমরা উপসংহারে পৌঁছেছি... কিন্তু এর মানে এই নয় যে খুব শিগগিরই কোনো চুক্তি সই হতে যাচ্ছে-এমন দাবি কেউ করতে পারে না।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে ব্যাপক হামলা চালায়, যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। এর জবাবে ইরান ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর ওপর হামলা চালায় এবং কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এর ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যায়।
এটি একটি চলমান ব্রেকিং নিউজ প্রতিবেদন। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে। সর্বশেষ সংস্করণ দেখতে অনুগ্রহ করে পৃষ্ঠাটি রিফ্রেশ করুন।
সূত্র: বিবিসি
