

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন ভারত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
শুক্রবার (৩ জুলাই) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, চীন থেকে জে-১০সিই বহুমুখী যুদ্ধবিমান কেনার সম্ভাবনা এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর (সিএমবিসি) নিয়ে বাংলাদেশ ও চীনের আলোচনার বিষয়টি ভারতের নজরদারিতে রয়েছে।
এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা আমাদের অঞ্চলের এ ধরনের সব উন্নয়ন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করি।”
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর এবং তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প নিয়ে আলোচনার প্রসঙ্গে তিনি জানান, এ প্রকল্প সম্পর্কে ভারতের অবস্থান ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে ভারতের উন্নয়ন সহযোগিতা দুই দেশের পারস্পরিক সম্মত রোডম্যাপের ভিত্তিতে পরিচালিত হয় এবং তা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব আঞ্চলিক উন্নয়ন ও ঘটনাপ্রবাহ ভারতের সামগ্রিক নীতিনির্ধারণে বিবেচনায় রাখা হবে বলেও উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, ভারত থেকে প্রবাহিত তিস্তা ও অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত নদীর ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করতে বাংলাদেশ ও চীন সম্প্রতি সম্মত হয়েছে। এর আগে চীন সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিস্তা ব্যারেজ মাস্টার প্ল্যানকে ‘জাতীয় অগ্রাধিকার’ উল্লেখ করে বলেন, এটি ‘যেকোনো মূল্যে’ বাস্তবায়ন করা হবে। তবে চীনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের সহযোগিতা কোনো তৃতীয় দেশকে লক্ষ্য করে নয়।
এদিকে সিন্ধু পানি চুক্তি প্রসঙ্গে ভারতের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, পাকিস্তানের আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের প্রতি সমর্থনের কারণে চুক্তিটি স্থগিত রয়েছে। তিনি দাবি করেন, পাকিস্তানকে বিশ্বাসযোগ্য ও স্থায়ীভাবে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের প্রতি সমর্থন ত্যাগ করতে হবে।

