বৃহস্পতিবার
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাইকেল জ্যাকসনও এপস্টেইনের সাম্রাজ্যে যেতেন!

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:২৫ পিএম
মাইকেল জ্যাকসন
expand
মাইকেল জ্যাকসন

এপস্টেইন ফাইলস প্রকাশের পর বিশ্বজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। কারণ এ ফাইলে আছে বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের গড়ে তোলা অপরাধচক্রের সাথে জড়িতদের একেরপর এক নাম বের হচ্ছে যা দেখে বিশ্বের মানুষ অবাক হচ্ছে।

প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে এবার নাম পাওয়া গেছে মাইকেল জ্যাকসনের।

যোগাযোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রকাশিত নথিতে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। নতুন করে আলোচনায় এসেছেন পপসম্রাট ও রক কিংবদন্তি মিক জ্যাগার।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডির তত্ত্বাবধানে প্রস্তুতকৃত এপস্টেইন ফাইলসের একটি বড় অংশ প্রকাশ করা হয়। এসব নথিতে রাজনীতি ও বিনোদন জগতের একাধিক তারকার ছবি ও নাম উঠে এসেছে।

প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, জেফ্রি এপস্টেইন ও তার সহযোগী গিজলেন ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে বিভিন্ন প্রমোদ ভ্রমণ ও সামাজিক আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন অনেক তারকা। একটি ছবিতে মাইকেল জ্যাকসনকে ডায়ানা রস ও বিল ক্লিনটনের সঙ্গে দেখা গেছে। অন্য একটি ছবিতে তাকে এপস্টেইনের পাম বিচের বাড়িতেও উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।

তবে নথিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, এসব ছবি বা তথ্যের কোথাও মাইকেল জ্যাকসনের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এ ছাড়া ২০১৬ সালের একটি জবানবন্দিতে এপস্টেইনের এক অভিযোগকারী জানান, তিনি এপস্টেইনের বাড়িতে মাইকেল জ্যাকসনকে দেখেছিলেন। তবে ওই জবানবন্দিতেও জ্যাকসনের বিরুদ্ধে কোনো অনৈতিক বা বেআইনি আচরণের অভিযোগ তোলা হয়নি।

অন্যদিকে, রোলিং স্টোনস ব্যান্ডের তারকা মিক জ্যাগারের একটি ছবিও নথিতে পাওয়া গেছে, যেখানে তাকে বিল ক্লিনটন ও এপস্টেইনের সঙ্গে একটি ডিনারে দেখা যায়। সেখানেও জ্যাগারের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

নথিতে বিনোদন জগতের বাইরে রাজনীতিকদের মধ্যে বিল ক্লিনটন এবং অভিনেতা ক্রিস টাকারের নাম ও ছবিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বিচার বিভাগের এই নতুন তথ্য প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও নানা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব (কনস্পিরেসি থিওরি) ছড়িয়ে পড়ছে। তবে সংশ্লিষ্ট নথিগুলোতে যাদের নাম এসেছে, তাদের অনেকের ক্ষেত্রেই এখন পর্যন্ত কোনো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X