

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে দেশের উপকূলীয় এলাকায় দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
রোববার (২৭ জুলাই) দুপুরে প্রকাশিত আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা বলেন, বর্তমানে নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা নেই। তবে এটি আরও শক্তিশালী হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে এবং সোমবার সন্ধ্যা বা রাতের মধ্যে ভারতের ওড়িশা উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
তিনি জানান, নিম্নচাপের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল, বিশেষ করে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামে বাতাসের গতি তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত দেশের কোথাও ভারী বৃষ্টির তথ্য পাওয়া যায়নি। বরিশাল অঞ্চলে কিছু এলাকায় বৃষ্টি হচ্ছে এবং যশোর ও কক্সবাজারে হালকা বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়, রোববার দুপুর ১২টায় নিম্নচাপটির অবস্থান ছিল চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪২৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪১৫ কিলোমিটার পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৪৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৬৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, নিম্নচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরও ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে চার সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার। দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে তা ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে। এ কারণে নিম্নচাপের আশপাশের সাগর উত্তাল রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার সব নৌকা ও ট্রলারকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বলা হয়েছে।