

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রথমার্ধে দিয়োগো কস্তা ছিলেন পোর্তোর সবচেয়ে বড় ভরসা। একের পর এক সেভ করে তিনি আটকে রেখেছিলেন ম্যানচেস্টার সিটিকে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সেই প্রতিরোধ ভেঙে যায়। শেষ দিকে আরও একবার গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় ইংলিশ দলটি।
চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম ম্যাচে মঙ্গলবার পোর্তোর মাঠ থেকে ২–০ গোলের জয় নিয়ে ফিরেছে সিটি। দুটি গোলই করেছেন আর্লিং হালান্ড।
বল দখলে ম্যাচের শুরু থেকেই এগিয়ে ছিল সিটি। তবে আধিপত্যকে গোলের ব্যবধানে রূপ দিতে প্রথমার্ধে বারবার বাধা হয়ে দাঁড়ান পোর্তোর গোলরক্ষক কস্তা। ম্যাচে সিটির ২০টি শটের ১০টিই ছিল লক্ষ্যে, এর মধ্যে আটটি ঠেকিয়েছেন এই ২৬ বছর বয়সী গোলরক্ষক।
২১ মিনিটে প্রথম গোলের সুযোগটি পায় সিটি। বাঁ প্রান্ত থেকে ফিল ফোডেনের ক্রসে হালান্ডের জোরালো হেড ঠেকিয়ে দেন কস্তা।
এরপর ৩২ মিনিটে আবারও সিটির আক্রমণ থামান তিনি। বক্সের ভেতর থেকে হালান্ডের শট রুখে দেওয়ার পর মুহূর্তের মধ্যেই রায়ান শের্কির নিচু শটও ঠেকিয়ে দেন। প্রথমার্ধ গোলশূন্য রাখার পেছনে পোর্তো গোলরক্ষকের অবদান তখন স্পষ্ট।
কিন্তু বিরতির পর দৃশ্যপট বদলাতে বেশি সময় লাগেনি। ৪৭ মিনিটে বাঁ প্রান্তে বল গোলকিক হওয়ার আগেই সেটি বাঁচিয়ে কাটব্যাক করেন শের্কি। এনজো ফার্নান্দেসের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে বল জালে জড়ান হালান্ড।
গোল হজমের পর অবশ্য পোর্তোও সুযোগ তৈরি করতে শুরু করে। ৫৪ এবং ৫৮ মিনিটে দুইবার গোলের দারুণ সুযোগ তৈরি করে পোর্তো। তবে লক্ষ্য ভ্রষ্ট সেসব শটে আর সমতায় ফেরা হয়নি দলটির।
৬৬ মিনিটে সিটি বড় বিপদে পড়ে নিজেদের ভুলেই। বক্সের বাইরে এসে আড়াআড়ি পাস দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন গোলরক্ষক জানলুইজি দোন্নারুম্মা। পোর্তোর এক খেলোয়াড় পাসটি আঁচ করে পায়ে লাগিয়ে দেন। তবে বল পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যাওয়ায় বেঁচে যায় সিটি।
শেষ দিকে আবারও ম্যাচে চাপ বাড়ায় সফরকারীরা। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটেই রায়ান আইত-নুরির পাস পেয়ে নিচু শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন হালান্ড। তাতেই সিটির জয় নিশ্চিত হয়ে যায়।
চ্যাম্পিয়নস লিগে সিটির হয়ে এটি হলান্ডের ৩৬তম গোল। এই প্রতিযোগিতায় ক্লাবটির হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা সার্জিও আগুয়েরোর সঙ্গে একই কাতারে এখন তিনি। সব দল মিলিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে ৫৯ ম্যাচে তার গোলসংখ্যাও ৫৯।

