

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বকাপ শুরুর আগে খুব বেশি আলোচনায় না থাকলেও এখন ব্রাজিলের আক্রমণভাগের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচে চার গোল ও এক অ্যাসিস্ট করে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এই রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড।
সোমবার (২৯ জুন) রাউন্ড অব ৩২-এ জাপানের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নামার আগে যখন পুরো নজর তার দিকেই, ঠিক তখনই এক আবেগঘন মুহূর্তে আলোচনায় এলেন ভিনিসিয়ুস।
ব্রাজিলের গ্লোবো নেটওয়ার্কের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘দোমিঙ্গাও’-তে অতিথি হয়ে আসেন তিনি। সেখানে সঞ্চালক লুসিয়ানো হুক একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা দেখান, যা মুহূর্তেই বদলে দেয় পুরো পরিবেশ।
ভিডিওটিতে ছিলেন ভিনিসিয়ুসের দাদিমা নিলজা। তিনি নাতির শৈশবের নানা স্মৃতি শেয়ার করেন এবং তার প্রতি গভীর ভালোবাসার কথা জানান।
নিলজা বলেন, ভিনিসিয়ুস ছোটবেলায় খুব লাজুক ছিলেন এবং ফুটবলই ছিল তার সবচেয়ে বড় আগ্রহ। তিনি আরও জানান, ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত নাতি তার সঙ্গেই ঘুমাত, মাঝেমধ্যে জড়িয়ে ধরে নিশ্চিত হতো তিনি পাশে আছেন কি না।
তিনি নাতির জন্য আশীর্বাদও করেন, যেন ‘আওয়ার লেডি অফ আপারেসিডা’ সবসময় তাকে রক্ষা করেন।
দাদিমার কণ্ঠে এই ভালোবাসার বার্তা শোনার পর লাইভ অনুষ্ঠানেই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ভিনিসিয়ুস। চোখের পানি মুছতে মুছতে তিনি শৈশবের কঠিন সময় ও দাদিমার অবদানের কথা স্মরণ করেন।
ভিনিসিয়ুস বলেন, দাদিমাই তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের একজন। শৈশবের অনেক সময় তিনি দাদিমার সঙ্গে কাটিয়েছেন এবং সীমিত জায়গার বাড়িতে তার পাশেই ঘুমাতেন।
তিনি আরও বলেন, দাদিমা তার জীবনের ভিত্তি গড়ে দিয়েছেন এবং পরিবারের ত্যাগ-তিতিক্ষার কারণেই আজকের অবস্থানে পৌঁছাতে পেরেছেন তিনি। সময় পেলেই পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করেন বলেও জানান এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।
