

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রথম ম্যাচের হতাশা আর সমালোচনার ঝড় পেছনে ফেলে বিশ্বকাপে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের পর যখন তার ভবিষ্যৎ ও সামর্থ্য নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল, তখন উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করে পর্তুগালকে বড় জয় উপহার দিয়েছেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।
হিউস্টনে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ৫-০ গোলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা রোনালদো আবারও মনে করিয়ে দিয়েছেন, বয়সের সংখ্যাটা তার প্রভাব কমিয়ে দিতে পারেনি। তবে ম্যাচ শেষে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে মাঠের পারফরম্যান্স নয়, বরং লিওনেল মেসিকে ঘিরে সাংবাদিকদের করা একাধিক প্রশ্ন।
চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মেসিকে নিয়ে প্রথম প্রশ্নের মুখোমুখি হন পর্তুগাল অধিনায়ক। সম্ভাব্য কোনো নকআউট ম্যাচে আর্জেন্টিনা ও পর্তুগালের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে জানতে চাইলে রোনালদো সরাসরি কোনো আগ্রহ দেখাননি।
তিনি বলেন, এই অর্থহীন প্রশ্নের কোনো উত্তর তার জানা নেই। তবে তেমন কিছু হলে দারুণ হতো উল্লেখ করে তিনি জানান, এখন আসল কাজ ছিল ম্যাচ জিতে গ্রুপ পর্ব পার করা এবং কলম্বিয়ার বিপক্ষে পরবর্তী কঠিন লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হওয়া।
পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যখন আরেক সাংবাদিক মেসির পাশাপাশি কিলিয়ান এমবাপ্পের প্রসঙ্গ টেনে ব্যক্তিগত তুলনামূলক প্রশ্ন করতে চান। প্রশ্ন শেষ হওয়ার আগেই রোনালদো অন্য এক সাংবাদিককে প্রশ্ন করার সুযোগ দেন। পরে তিনি স্পষ্ট করে জানান, ব্যক্তিগত আলোচনা নয়, মাঠের পারফরম্যান্সই তার উত্তর দেওয়ার সবচেয়ে বড় মাধ্যম।
এরপর অন্য এক সাংবাদিক আবারও মেসির দুই গোল ও এমবাপ্পের প্রসঙ্গ টানলে চটে যান রোনালদো। প্রশ্ন শেষ করতে না দিয়েই তিনি পাশ ফিরে অন্য এক সাংবাদিককে ইশারা করেন। তখন পর্তুগিজ ভাষায় সেই সাংবাদিককে বলেন, ‘দালে, দালে, দালে (বলুন, বলুন, আপনিই বলুন)।’
পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজও শিষ্যের প্রতিক্রিয়াকে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখছেন। তার মতে, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য চাপ ও প্রত্যাশার মধ্য দিয়ে যাওয়া একজন ফুটবলারের আবেগ প্রকাশ করাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। বরং সমালোচনার জবাব রোনালদো যেভাবে মাঠে দিয়েছেন, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
