

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেজকে ঘিরে ইউরোপিয়ান ফুটবলে শুরু হয়েছে বড় ট্রান্সফার লড়াই। বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ—দুই স্প্যানিশ জায়ান্টই ২৬ বছর বয়সী এই বিশ্বকাপজয়ী স্ট্রাইকারকে দলে ভেড়ানোর চেষ্টা চালালেও আপাতত দৃঢ় অবস্থানে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ।
বার্সেলোনা ইতোমধ্যে আলভারেজের জন্য প্রায় ১০০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব পাঠিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছে অ্যাতলেটিকো। ক্লাবটির অবস্থান, আলভারেজ বিক্রির জন্য নন।
এরপর প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদও দৌড়ে যোগ দেয়। ক্লাব সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের নেতৃত্বে প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ইউরোর একটি প্রস্তাব পাঠানো হয় অ্যাতলেটিকোর কাছে। তবে সেই প্রস্তাবও সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছে মাদ্রিদভিত্তিক ক্লাবটি।
অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আলভারেজের চুক্তিতে ৫০০ মিলিয়ন ইউরোর রিলিজ ক্লজ রয়েছে। এর নিচে কোনো প্রস্তাব বিবেচনার প্রশ্নই ওঠে না।
এদিকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, আলভারেজ নিজেও বার্সেলোনায় খেলার ব্যাপারে আগ্রহী। তবে বর্তমানে তিনি বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে মনোযোগী, এবং টুর্নামেন্ট শেষে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
রিয়াল মাদ্রিদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর ক্লাবটির পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে জানানো হয়, পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৫০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, যা অ্যাতলেটিকো প্রত্যাখ্যান করেছে।
এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ঘিরে দুই ক্লাবের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ে। রিয়ালের বিবৃতি শেয়ার করে অ্যাতলেটিকো ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া জানায়।
পরবর্তীতে আরেকটি পোস্টে অ্যাথলেটিকো লেখে, আপনারা হয়তো ভদ্রতাকে কৃতজ্ঞতা ভেবে ভুল করেছেন। পরিষ্কার করে বলছি, আমরা আপনাদের কোনো কিছুর জন্য ধন্যবাদ দিচ্ছি না। হুলিয়ানকে নিয়ে কোনো প্রস্তাব আমরা বিবেচনাও করছি না। আর সম্পর্ক খারাপ হবে কেন? আপনারা আমাদের বার্সেলোনার চেয়েও বেশি হাসান!।
২০২৪ সালে ম্যানচেস্টার সিটি থেকে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদে যোগ দেন আলভারেজ। ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী এই ফরোয়ার্ড গত মৌসুমে ৪৯ ম্যাচে ২০ গোল করেন। তার পারফরম্যান্সে ভর করে অ্যাতলেটিকো লা লিগায় শীর্ষ চারে থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
