

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হট্টগোল, বিতর্ক আর অভাবনীয় সব নাটকীয় ঘটনার মধ্য দিয়ে শেষ পর্যন্ত আফ্রিকান নেশন্স কাপের শিরোপা জিতেছে সেনেগাল।
মরক্কোর রাজধানী রাবাতের সবুজ গালিচায় রবিবার রাতে এক অবিশ্বাস্য ফাইনালের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব, যেখানে রেফারির সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা এমন চরমে পৌঁছায় যে কোচের নির্দেশে খেলোয়াড়রা মাঠ ছেড়ে ড্রেসিংরুমে পর্যন্ত চলে গিয়েছিলেন।
তবে সেই সব বাধা টপকে অতিরিক্ত সময়ের ১-০ গোলের জয়ে দ্বিতীয়বারের মতো মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট মাথায় তুলল সেনেগালিজরা। ম্যাচ শেষে ধারাভাষ্যকারের কণ্ঠে ফুটে ওঠে বিষাদমাখা এক সত্য, এখানে হেরে গেল আফ্রিকার ফুটবল!’
ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করে সেনেগাল। পঞ্চম মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন পাপ গেয়ি, তবে তার হেড সরাসরি গোলরক্ষকের গ্লাভসে জমা হয়।
৩৭তম মিনিটে ইলিমান গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনোকে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হলে প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকে। বিরতির পর মরক্কো আক্রমণের ধার বাড়ালেও তাদের একের পর এক শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হতে থাকে।
ম্যাচের সবচেয়ে বড় নাটকীয়তা শুরু হয় নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে। যোগ করা সময়ের শেষ মুহূর্তে কর্নার থেকে ব্রাহিম দিয়াস ফাউলের শিকার হলে ভিএআর দেখে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে সেনেগাল কোচ পাপ ঝাও তার খেলোয়াড়দের মাঠ থেকে বেরিয়ে ড্রেসিংরুমে চলে আসার নির্দেশ দেন।
কিছুক্ষণ পর তারা মাঠে ফিরলে পেনাল্টি নিতে আসেন রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড দিয়াস। তবে ‘অবিশ্বাস্য, অভাবনীয়, হতবাক করা’ সেই স্পট কিকে তিনি নিলেন এক অতি দুর্বল পানেনকা শট, যা অনায়াসেই ধরে ফেলেন সেনেগালের গোলরক্ষক। নির্ধারিত সময় গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ের ৯৪তম মিনিটে ইদ্রিসা গেয়ির থ্রু বল থেকে দুর্দান্ত এক কোনাকুনি শটে জয়সূচক গোলটি করেন পাপ গেয়ি।
এই গোলই শেষ পর্যন্ত ব্যবধান গড়ে দেয়। ২০২১ সালের পর এটি সেনেগালের দ্বিতীয় শিরোপা, অন্যদিকে ১৯৭৬ সালের পর মরক্কোর দীর্ঘ শিরোপা আক্ষেপ আরও দীর্ঘায়িত হলো।
মন্তব্য করুন

