

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


লিওনেল মেসির দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা।
প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৫৫ মিনিটে এন্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। কিন্তু এরপর মেসির দুর্দান্ত নৈপুণ্যে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনা। দুটো গোল দিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে তারা। দুটো গোলেই এসিস্ট করেন মেসি। একই সাথে আরেকটি হৃদয়ভাঙা বিশ্বকাপ বিদায় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় হ্যারি কেইনের ইংল্যান্ডকে।
ম্যাচ শেষে কেইন স্বীকার করেন, এক গোলের লিড ধরে রাখার চেষ্টা আর্জেন্টিনার মতো শক্তিশালী, আত্মবিশ্বাসী ও মানসম্পন্ন দলের বিপক্ষে যথেষ্ট ছিল না।
তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছে আগের টুর্নামেন্টগুলোর মতোই একই গল্প। ৬০ মিনিট পর্যন্ত আমরা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ খুব ভালোভাবেই ধরে রেখেছিলাম। গোল করেছি এবং এগিয়েও ছিলাম।’
তবে এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে ইংল্যান্ড। আর্জেন্টিনা একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত সেই চাপ থেকেই আসে প্রত্যাবর্তনের দুই গোল।
পরের বিশ্বকাপ অর্থাৎ ২০৩০ সালে হ্যারি কেইনের বয়স হবে ৩৬ বছর। তাই অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠেছে, এটিই কি ছিল বিশ্বকাপ জয়ের তার শেষ সুযোগ?
তবে এই মুহূর্তে এমন আলোচনা করতে রাজি নন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। বরং উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছেন মেসির দীর্ঘ ক্যারিয়ারকে।
বিবিসি স্পোর্টকে কেইন বলেন, ‘এখনই এসব নিয়ে কথা বলার সময় নয়। আমি বছর ধরে এগোই। জাতীয় দলই আমার গর্ব, আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আরও চার বছর অনেক দীর্ঘ সময়। এই গ্রীষ্মে আমার বয়স ৩৩ হবে। কিন্তু অন্যদিকে লিওকে দেখুন, তিনি এখনও সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলছেন। আমি কখনও এসব বিষয়ে নিজের জন্য সীমা নির্ধারণ করতে চাই না। সময় এলে পরিস্থিতি বিবেচনা করব। কিন্তু এই মুহূর্তে কঠিন এই হার মেনে নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
কথায় ইঙ্গিত স্পষ্ট, মেসির এই অসাধারণ উদাহরণ হয়তো কেইনকে ইংল্যান্ডের হয়ে আরও একটি বিশ্বকাপ খেলার অনুপ্রেরণা জোগাবে।
