

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নরওয়ে ও ব্রাজিল মুখোমুখি হচ্ছে। বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বার দেখা হচ্ছে তাদের। ষষ্ঠ শিরোপা জেতার মিশনে টিকে থাকার লড়াই সেলেসাওদের। প্রতি ম্যাচেই তারা তাদের আসল রূপে ফিরছে। কিন্তু ইতিহাস তাদের বিপক্ষে।
কারণ নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের অভিজ্ঞতা ভালো নয়। চার ম্যাচে এই ইউরোপিয়ান দলকে একবারও হারাতে পারেনি তারা। সেলেসাওরা হেরেছে দুটি ও বাকি দুই ম্যাচ ড্র।
১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে ব্রাজিল গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ২-১ গোলে হেরেছিল। বেবেতো ব্রাজিলের হয়ে একমাত্র গোল করেন। তোরে আন্দ্রে ফ্লো ও কেতিল রেকদাল নরওয়েজিয়ানদের হয়ে গোল পান।
নরওয়ে বিশ্বকাপে জেতার পাশাপাশি ব্রাজিলকে আরেকবার হারিয়েছে প্রীতি ম্যাচে। অন্য দুটি ড্রও প্রীতি ম্যাচে হয়েছিল। ১৯৮৮ সালে ১-১ গোলে ড্র করেছিল দুই দল। নরওয়ের আরেকটি জয় ১৯৯৭ সালের ৩০ মে ৪-২ গোলে। শেষবার তারা মুখোমুখি হয়েছিল ২০০৬ সালের আগস্টে। ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়।
এই চার ম্যাচে মোট ১৩টি গোল হয়েছে। কোনো জয় নেই ব্রাজিলের। স্বাভাবিকভাবে গোলের হিসাবেও তারা পিছিয়ে। তবে ব্যবধান খুব বেশি বড় নয়, তিন গোলের। ব্রাজিল গোল করেছে ৫টি, আর নরওয়ে ৮টি।
নরওয়ের সেই সোনালি ইতিহাসের কথা মনে করিয়ে দিতেই উচ্ছ্বসিত মার্টিন ওডেগার্ড। নরওয়েজিয়ান অধিনায়ক কদিন আগে বলেছিলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমরা নরওয়ে-ব্রাজিল ম্যাচের গল্প শুনে বড় হয়েছি। এবার আমাদের সামনে সেই সুযোগ এসেছে। বিশ্বকাপে ব্রাজিলের মুখোমুখি হওয়ার চেয়ে বড় আর কিছু হতে পারে না। ফুটবলে যেকোনো কিছুই সম্ভব।’
অধিনায়ক হুঙ্কার দিলেও সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুতে অবস্থান করছেন আর্লিং হালান্ড। দলের প্রধান স্ট্রাইকার ব্রাজিলকে সমীহ করছেন। বেশ সতর্ক বার্তা দিয়েছেন তিনি। তার মতে নরওয়ের জয়ের সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

