

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ম্যাচের ৫৫ মিনিটে স্কোরলাইন ১-১ হয়েছিল, ৯০ মিনিট সময়ের বাকি অংশে মিসর-অস্ট্রেলিয়ার কেউই গোল করতে পারেনি। ফলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত ১২০ মিনিটে। সেখানেও উভয়পক্ষ জালের দেখা পায়নি। ফলে ফলাফল পাওয়ার আশায় মিসর-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।
শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারের রোমাঞ্চে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ঐতিহাসিক জয় তুলে নিয়েছে মিসর। এই জয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে উঠল আফ্রিকার দেশটি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মিসর। এর ফলও আসে দ্রুত। ১৩তম মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণ বল পুরোপুরি বিপদমুক্ত করতে না পারলে সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন ইমাম আশুর। তার গোলে বিরতিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল মিসর। কিন্তু ওমর মারমোশ একান্ত সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। সেই মিসের মূল্য দিতে হয় কিছুক্ষণ পরই। ৫৫তম মিনিটে একটি ফ্রি-কিক থেকে আসা বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজের জালেই বল পাঠিয়ে দেন ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানি। আত্মঘাতী সেই গোলে সমতায় ফেরে অস্ট্রেলিয়া।
সমতায় ফেরার পর জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে দুই দল। মোহাম্মদ সালাহ, ইমাম আশুর ও মারমোশ একের পর এক আক্রমণ চালালেও অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণ ভাঙতে পারেননি। ৬৩তম মিনিটে সালাহ বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।
শেষ দিকে ম্যাচের উত্তেজনা আরও বাড়ে। ৮২তম মিনিটে হ্যারি সাউত্তারের শক্তিশালী হেড দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শুবির। অন্য প্রান্তে যোগ করা সময়ে রামি রাবিয়ার হেড এবং হাইসেম হাসানের শট অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ। ফলে নির্ধারিত সময় ১-১ সমতায় শেষ হয়।
অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও কোনো দল গোলের দেখা না পেলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে। সেখানে দুর্দান্ত মানসিক দৃঢ়তা দেখায় মিসরের ফুটবলাররা। চারটি শটই সফলভাবে জালে পাঠিয়ে তারা ৪-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে। অন্যদিকে দুটি শট নষ্ট করায় বিদায় নিতে হয় অস্ট্রেলিয়াকে।


