

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘ই’-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শক্তিশালী জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্বের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে ইকুয়েডর। এক গোল পিছিয়ে থেকেও দারুণ প্রত্যাবর্তন করে লাতিন আমেরিকার দলটি গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নেয়। অন্য ম্যাচে আইভরি কোস্ট কুরাসাওকে ২-০ গোলে হারানোয় গ্রুপের সমীকরণ আরও জমে উঠেছে। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে জার্মানি। এর ফলও পেয়ে যায় তারা। ম্যাচের ৭ মিনিটে মিডফিল্ড থেকে দারুণ আক্রমণ গড়ে তুলে গোল করেন লেরয় সানে। তার নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় জার্মানরা। তবে পিছিয়ে পড়েও ভেঙে পড়েনি ইকুয়েডর। ধীরে ধীরে বলের দখল বাড়িয়ে জার্মান রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করতে থাকে তারা। ম্যাচের ৩১ মিনিটে সমতায় ফেরে ইকুয়েডর। বাম দিকের আক্রমণ থেকে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন নিলসন আঙ্গুলো। তার গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ। বিরতির পর দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। জার্মানি আবারও লিড নেওয়ার চেষ্টা চালালেও ইকুয়েডরের রক্ষণভাগ ছিল বেশ সংগঠিত। অন্যদিকে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে বারবার জার্মান রক্ষণকে চাপে ফেলে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। ম্যাচের ৭৭ মিনিটে আসে নির্ধারণী মুহূর্ত। সতীর্থের পাস ধরে জার্মান ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে বল জালে পাঠান গঞ্জালো প্লাতা। তার গোলেই ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইকুয়েডর। বাকি সময়ে জার্মানি সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা করলেও ইকুয়েডরের রক্ষণভাগ দৃঢ়তার সঙ্গে সব আক্রমণ প্রতিহত করে। পুরো ম্যাচে জার্মানি শুরুতে দাপট দেখালেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ছন্দ হারিয়ে ফেলে। বলের দখলে এগিয়ে থাকলেও শেষ তৃতীয়াংশে সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় তারা। অন্যদিকে ইকুয়েডর তুলনামূলক কম সুযোগ পেয়েও দারুণ কার্যকর ফুটবল খেলেছে। রক্ষণ থেকে দ্রুত আক্রমণে ওঠা এবং সুযোগের সর্বোচ্চ ব্যবহারই তাদের জয়ের মূল পার্থক্য গড়ে দেয়। এই জয়ের ফলে গ্রুপ ‘ই’-তে ইকুয়েডর তৃতীয় অবস্থানে থাকলেও নকআউট পর্বে ওঠা প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছে। অন্যদিকে কুরাসাওকে ২-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করেছে আইভরি কোস্ট। জার্মানি গ্রুপ শীর্ষে থাকলেও হারের কারণে তাদের পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। এক গোল পিছিয়ে থেকেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের এই জয় ইকুয়েডরের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় দলটি।
