

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বজুড়ে একদিনে তিন দেশে পৃথক পৃথক শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এরমধ্যে জাপানে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার, ভেনেজুয়েলায় ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ৫ দশমিক ৬ একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। পৃথক অঞ্চলে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে এমন শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনায় কৌতূহল তৈরি হলেও বিশেষজ্ঞরা এটিকে স্বাভাবিক ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখছেন।
বৃহস্পতিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা ক্যালটেকের ভূকম্পবিদ ড. লুসি জোন্সের বক্তব্য তুলে ধরা হয়। তিনি বলেন, এসব ভূমিকম্প পৃথক ফল্ট ব্যবস্থা ও প্লেট সীমানায় সংঘটিত হয়েছে। ফলে একটি ভূমিকম্পের কারণে অন্যটি ঘটেছে—এমন ধারণার কোনো ভিত্তি নেই।
ড. জোন্সের ভাষ্য, হাজার হাজার মাইল দূরে সংঘটিত বড় ভূমিকম্প সাধারণত বিশ্বের অন্য কোনো অঞ্চলে আরেকটি বড় ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বাড়ায় না। তাঁর মতে, ঘটনাগুলোর সময়কাল মিলে গেলেও স্থান ও ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য একেবারেই ভিন্ন।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি ভূমিকম্পই সক্রিয় প্লেট সীমানা বরাবর সংঘটিত হয়েছে, যেখানে কয়েক দশক থেকে শতাব্দীব্যাপী ভূতাত্ত্বিক চাপ সঞ্চিত হচ্ছিল। এসব অঞ্চলে বড় ভূমিকম্প হওয়া প্রাকৃতিক চক্রেরই একটি প্রত্যাশিত অংশ। তবে ঠিক কখন এমন ভূমিকম্প ঘটবে, তা নির্ভুলভাবে পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বুধবার রাত ১০টা ৪ মিনিটে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই রাজধানী থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরও শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।
সংস্থাটি সতর্ক করে জানিয়েছে, এসব ভূমিকম্পের কারণে ব্যাপক প্রাণহানি ও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য জানায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: সিএনএন।
