

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ। ম্যাচের তৃতীয় দিন শেষেও যথারীতি চালকের আসনে আছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ডারউইনে তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের থেকে ৬৭ রানে পিছিয়ে রয়েছে স্বাগতিকরা। প্রথম ইনিংসে ২২৮ রানে পিছিয়ে পড়া অস্ট্রেলিয়া এখন দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে। হাতে ৬ উইকেট থাকলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের দখলে।
ঘরের মাঠে প্রথম ইনিংসে ২২৮ বা তার বেশি রানে পিছিয়ে কোনো টেস্ট জেতেনি অস্ট্রেলিয়া। ফলে এই ম্যাচে জয় পেতে হলে নিজেদেরই সেই ইতিহাস পাল্টাতে হবে স্বাগতিকদের।
বাংলাদেশ অবশ্য কাজটা সহজ করে দেয়নি। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে অলআউট করার পর ব্যাটিংয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। তানজিদ হাসান তামিমের ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি, নাজমুল হোসেন শান্তর ৮৪ এবং মুমিনুল হকের ৪৯ রানে বড় সংগ্রহের ভিত্তি তৈরি হয়। পরে মেহেদী হাসান মিরাজের ৬৫ ও মুশফিকুর রহিমের ৩৬ রানে সেই ভিত্তি আরও শক্ত হয়। শেষ পর্যন্ত ৪২৬ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। জেক ওয়েদারাল্ড কোনো রান না করেই ফেরেন। ট্রাভিস হেড করেন ১৭ রান। ৩১ রানে তাইজুল ইসলামের বলে আউট হন মার্নাস লাবুশেন।
স্টিভেন স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিন কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু ৪৪ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে স্মিথ ফিরে গেলে আবারও স্বস্তি হারায় অস্ট্রেলিয়া। দিনের শেষ পর্যন্ত অবশ্য গ্রিন ও অ্যালেক্স ক্যারি আর কোনো উইকেট পড়তে দেননি। গ্রিন ৪৩ এবং ক্যারি ১৯ রানে অপরাজিত।
এখন অস্ট্রেলিয়ার হিসাবটা পরিষ্কার। প্রথমে বাংলাদেশের ৬৭ রানের লিড মুছে ফেলতে হবে। এরপর এমন রান করতে হবে, যাতে চতুর্থ ইনিংসে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে নামিয়ে জয় ছিনিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। অর্থাৎ অস্ট্রেলিয়ার সামনে সামনে এখনো লম্বা পথ।
বাংলাদেশের জন্য সমীকরণ তুলনামূলকভাবে স্বস্তির। দ্রুত কয়েকটি উইকেট তুলে নিতে পারলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত হবে। তবে গ্রিন ও ক্যারি উইকেটে থাকায় অস্ট্রেলিয়ার ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।


