

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান বলেছেন, ‘জুলাই আন্দোলন ইস্যুতে আমি যে দুই বছর কিংবা দুই বছরের বেশি দেশের বাইরে থাকলাম, এটাই কেন থাকলাম? এটা আমার কেন থাকতে হবে? দুই বছর দেশে আসতে পারতেছি না, এটাই তো আমার জন্য বড় একটা শাস্তি।’
সোমবার (১০ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন সাকিব।
ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার বিষয়ে তার আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তার নেত্রী ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোনো সম্পর্ক আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে সাকিব বলেন, ‘আমি তো বলছি না যে আমাকে ডিসেম্বরেই যেতে হবে। আমি তো যেকোনো দিন দেশে যেতে পারি। আমাকে যদি কালকেই বলা হয়, হ্যাঁ, ঠিক আছে, আসেন, আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন, তাহলে সবকিছু করতে আমি রাজি আছি। কিন্তু ওই নিরাপত্তা ও সুরক্ষা তো আমাকে দিতে হবে।’
জুলাই আন্দোলন-সংক্রান্ত অভিযোগ ও হত্যা মামলায় অভিযুক্ত কয়েকজন গ্রেপ্তারের পর দ্রুত জামিন পেয়েছেন—এমন প্রসঙ্গ তুলে জানতে চাওয়া হয়, একই ধরনের প্রক্রিয়া হলে তিনি দেশে ফিরবেন কি না। জবাবে সাকিব বলেন, ‘না, সেটাও আমার জানতে হবে। আমি তো আসলে এগুলোতে খুব বেশি বিশেষজ্ঞ নই। আমি জানিও না।’
জুলাই আন্দোলন–সংক্রান্ত অভিযোগ ও মামলায় এক-দুই দিন জেলে থাকতে হলে তার আপত্তি আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে সাকিব বলেন, ‘না, না, জেলে থাকা বা না থাকার বিষয় হচ্ছে না। প্রথমত হচ্ছে, আমি যে দুই বছর কিংবা দুই বছরের বেশি দেশের বাইরে থাকলাম, এটাই কেন থাকলাম? এটা আমার কেন থাকতে হবে? দুই বছর দেশে আসতে পারতেছি না, এটাই তো বড় একটা শাস্তি। এটা তো জাস্টিস হলো না। সবার আগে যদি বাংলাদেশ হয়, তবে এটা কি সবার আগে বাংলাদেশ হলো নাকি?’
দেশে ফেরার ক্ষেত্রে তার মূল উদ্বেগ কারাবাস নয়, বরং নিরাপত্তা ও তার সুরক্ষা নিশ্চিতের বিষয়টিই সাকিব তার বক্তব্যে প্রাধান্য দিয়েছেন। আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দেশে ফেরার সুযোগ দেওয়া হলে যেকোনো দিন দেশে ফিরতে প্রস্তুত বলেও জানান সাকিব।

