

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে টাইগারদের বোলিং তোপে মাত্র ১৪১ রানেই গুটিয়ে গিয়েছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। বল হাতে ৬ উইকেট তুলেছেন টাইগার স্পিডস্টার নাহিদ রানা।
সোমবার (০৬ জুলাই) হারারে স্পোর্টস ক্লাবে মুখোমুখি হয় দু’দল। টসে জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। শুরুতে বেন কারান ও ব্রায়ান বেনেট সতর্ক ব্যাটিংয়ে দলকে এগিয়ে নিলেও তাদের জুটি বড় হতে দেননি টাইগাররা। ৩৬ রানের মাথায় ১৮ রান করা কারান রানআউট হলে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। একই ওভারে ১৭ রান করা বেনেটকে ফিরিয়ে জিম্বাবুয়েকে আরও চাপে ফেলেন তাসকিন আহমেদ।
এরপর দ্রুতই ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। তিন নম্বরে নামা ক্রেইগ আরভিন কোনো রান না করেই তাসকিনের শিকার হন। সেখান থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি বাংলাদেশের হাতে চলে যায়।
এরপর আক্রমণে এসে ম্যাচের চিত্রই বদলে দেন নাহিদ রানা। প্রথমে তারকা অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজাকে মাত্র ১ রানে ফেরান তিনি। এরপর একে একে ওয়েসলি মাধেভেরে, ক্লাইভ মাদান্দে, ইনোসেন্ট কাইয়া ও ব্র্যাড ইভান্সকে সাজঘরে পাঠিয়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনআপ ছিন্নভিন্ন করে দেন।
শুরুর ব্যাটারদের মধ্যে ইনোসেন্ট কাইয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে ৩৯ বলে ২৬ রান করেন। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকায় ৭০ রান তুলতেই ৮ উইকেট হারিয়ে বসে স্বাগতিকরা। একসময় মনে হচ্ছিল, তারা হয়তো তিন অঙ্কের রানও ছুঁতে পারবে না।
সেই পরিস্থিতিতে নবম উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন অধিনায়ক রিচার্ড এনগারাভা ও নিউম্যান নিয়ামহুরি। দুজন মিলে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে ১০০ রানের গণ্ডি পার করান। এনগারাভা ৪১ বলে ২৭ রান করে আউট হওয়ার আগে বাংলাদেশের বোলারদের বেশ কিছুক্ষণ আটকে রাখেন। তার উইকেটটিও তুলে নেন নাহিদ রানা।
শেষ ব্যাটার হিসেবে ৫১ বলে ৩৩ রান করা নিয়ামহুরিকে ফিরিয়ে জিম্বাবুয়ের ইনিংসের ইতি টানেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। সব মিলিয়ে ১৪১ রানেই থামে স্বাগতিকদের ইনিংস।
বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল নাহিদ রানা। তিনি ৬ উইকেট শিকার করে ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা বোলিং উপহার দেন। তাসকিন আহমেদ নেন ২ উইকেট, আর একটি উইকেটের দেখা পান মেহেদী হাসান মিরাজ।
