

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কয়েক ম্যাচ ধরে প্রত্যাশামতো ইনিংস খেলতে না পারায় সমালোচনার মুখে ছিলেন ভারতের তরুণ ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশী।
তবে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ব্যাট হাতে ঝড় তুলে সব প্রশ্নের জবাব দিলেন তিনি। মাত্র ১১ বলে অর্ধশতক হাঁকিয়ে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে দ্রুততম ফিফটির নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন ১৫ বছর বয়সী এই বিস্ময়বালক।
ডাম্বুলায় শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে ফাইনালে টস হেরে ব্যাট করতে নামে ভারত ‘এ’। ইনিংসের শুরু থেকেই আগ্রাসী মেজাজে খেলতে থাকেন সূর্যবংশী। মুখোমুখি হওয়া প্রথম পাঁচ বলেই তিনি মারেন সীমানা। প্রথম তিন বলে চার মারার পর পরের দুই বলে হাঁকান ছক্কা।
এরপরও থামেননি তিনি। এক বল ডট খেলার পর আবার একটি ছক্কা ও একটি চার মেরে মাত্র আট বলেই পৌঁছে যান ৩৪ রানে। চতুর্থ ওভারে আরও একটি চার ও দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে ১১ বলেই পূর্ণ করেন অর্ধশতক। এর মধ্য দিয়ে ভেঙে যায় লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটের দ্রুততম ফিফটির পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
এর আগে ২০০৫ সালে শ্রীলঙ্কার ব্যাটার কৌশল উইরারত্ন ১২ বলে অর্ধশতক করে রেকর্ডটি নিজের দখলে রেখেছিলেন। প্রায় দুই দশক পর সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন ভারতীয় এই তরুণ।
অর্ধশতকের পরও সমান তালে রান তুলতে থাকেন সূর্যবংশী। তার ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল দ্রুততম শতকের রেকর্ডও হয়তো নতুন করে লেখা হবে। আট ওভার শেষে তার সংগ্রহ ছিল ২৫ বলে ৮৬ রান।
নবম ওভারে আরও একটি ছক্কা মেরে নব্বইয়ের ঘরে পৌঁছে যান তিনি। তবে শতকের খুব কাছাকাছি গিয়ে থামতে হয়। বড় শট খেলতে গিয়ে মিড-অফে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই বাঁহাতি ওপেনার।
বিদায়ের আগে ১০টি চার ও ৮টি ছক্কার সাহায্যে মাত্র ২৯ বলে ৯৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন সূর্যবংশী। যদিও সেঞ্চুরি হাতছাড়া হয়েছে, তবু তার এই ঝড়ো ব্যাটিংই ফাইনালে ভারত ‘এ’ দলকে দারুণ ভিত এনে দেয়।
বিশেষ করে সাম্প্রতিক সমালোচনার প্রেক্ষাপটে সূর্যবংশীর এই ইনিংস আরও তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতিভা নিয়ে যে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই, সেটি তিনি আবারও প্রমাণ করলেন বিশ্বরেকর্ড গড়া এক বিস্ফোরক ইনিংস দিয়ে।
