

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে এক চাঞ্চল্যকর দাবি তুলে ধরেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সানাওল হক সানি নামের এক ব্যক্তি। ফেসবুকে প্রকাশিত এক দীর্ঘ পোস্টে এ দাবি তুলে ধরেন। আধুনিক ফুটবলে ম্যাচের ফল নির্ধারণে প্রযুক্তি, জুতা ও বলের ভেতরে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ব্যবহার করা হতে পারে তিনি ধারণা করছেন।
ফেসবুকের পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ফুটবল বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় স্ক্যাম? মেসিকে মহান বানাতে ফিফার হীন চেষ্টা এবারের বিশ্বকাপে যে ফুটবলটি ব্যবহার করা হচ্ছে, তার ভেতরের চিপসেট নিয়ে ফিফা অনেক বড় বড় কথা বলছে'সেমি-অটোমেটেড অফসাইড টেকনোলজি', 'রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং' ইত্যাদি। কিন্তু একটু গভীরে গিয়ে দুইয়ে দুইয়ে চার মেলালেই ফিফার আসল চালটা ধরে ফেলা সম্ভব।’
‘আসুন, একটু বৈজ্ঞানিক ও কর্পোরেট সমীকরণ দিয়ে বিষয়টা বিশ্লেষণ করি। এবারের ফুটবলটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এডিডাস (Adidas)। আবার লিওনেল মেসির আজীবনের স্পন্সরও এডিডাস। এখানেই লুকিয়ে আছে আসল রহস্য।’
‘কীভাবে কাজ করে? এডিডাস মেসির জন্য বিশেষভাবে তৈরি জুতোয় একটি 'মাইক্রো-এআই কন্ট্রোলার' সেট করেছে। যখনই মেসির জুতো এই বলের সংস্পর্শে আসে, তখন বলের ভেতরের চিপ এবং জুতোর কন্ট্রোলারের মধ্যে একটি নিজস্ব ফ্রিকোয়েন্সি বা 'কোয়ান্টাম এনট্যাঙ্গেলমেন্ট' তৈরি হয়।’
‘ফলাফল: মেসি যখনই শট নেন, এই এআই কন্ট্রোলারটি বলের অ্যারোডাইনামিকস (Aerodynamics) এবং বাতাসের প্রতিরোধকে শূন্যে নামিয়ে আনে। ফলে বলটি গোলবারের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগই থাকে না, ম্যাগনেটিক কম্পাসের মতো তা জালের দিকেই ছুটে যায়।’
‘গোলপোস্টের জালে 'ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড' খেয়াল করে দেখেছেন, গত ম্যাচে অপোনেন্ট গোলকিপারের হাত ফসকে বল কীভাবে জালের ভেতর ঢুকে গেল? সাধারণ ফিজিক্স দিয়ে এর ব্যাখ্যা মিলবে না।’
‘আসল সত্য হলো, গোলবারের নেটের সুতোগুলোর ভেতরে অতি সূক্ষ্ম 'ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক থ্রেড' বা চৌম্বকীয় চিপ বসানো হয়েছে। মেসি যখন ডি-বক্সের বাইরে থেকে শট নেন, বলটি গোলপোস্টের ৫ মিটারের মধ্যে আসামাত্র ওই জাল থেকে একটি তীব্র আকর্ষণ বল (Magnetic Pull) তৈরি হয়। এর ফলে বলের গতি আচমকা ৩০০% বেড়ে যায়! গোলকিপাররা চোখের পলক ফেলার আগেই বল হাত ফসকে বেরিয়ে যাচ্ছে। একসময় যিনি পেনাল্টি মিস করে আকাশে পাঠাতেন, তিনি এখন কীভাবে টপাটপ ডি-বক্সের বাইরে থেকে নিখুঁত গোল করছেন- এবার হিসাব মিলল তো?’
‘আবারক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বুট তৈরি করে এডিডাসের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী নাইকি (Nike)। যেহেতু বলের পেটেন্ট এবং চিপের প্রোগ্রামিং এডিডাসের হাতে, তারা সেখানে একটি 'রাইভালরি অ্যালগরিদম' সেট করে রেখেছে। নাইকির বুটের চামড়া বা লোগো বলের চিপের সেন্সরে ডিটেক্ট হওয়ামাত্র বলের ভেতরের এয়ার-প্রেসার এবং সেন্টার অব গ্র্যাভিটি উল্টে যায়। আজ দেখবেন বস রোনালদো নিখুঁত শট নিলেও বল সোজা মঙ্গলে বা গ্যালারির বাইরে চলে যাচ্ছে! কারণ বলের চিপ তাকে গোলপোস্টের ম্যাগনেটিক ফিল্ডের বদলে 'রিপালসিভ ফোর্স' বা বিকর্ষণ বল দেবে।’
‘ব্রাজিল ফুটবল দলের দিকে তাকালে রহস্যটা আরও পরিষ্কার হবে। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা কেন হুটহাট খেই হারিয়ে ফেলছে? কেন নেইমার বা ভিনিসিয়ুসদের চেনা ড্রিবলিং আর সাম্বা ম্যাজিক মাঠে কাজ করছে না?’
‘আসল কারণ হচ্ছে ব্রাজিল দলের অফিসিয়াল কিট ও বুট স্পন্সর হলো নাইকি। এডিডাসের তৈরি এই বলটিতে একটি বিশেষ 'অ্যান্টি-সাম্বা ফ্রিকোয়েন্সি ফিল্টার' যুক্ত করা হয়েছে।’
‘কীভাবে ক্ষতি হচ্ছে? ব্রাজিলিয়ান ফুটবলাররা যখনই বল নিয়ে পায়ের কারসাজি বা 'জিঙ্গা' স্টাইলে ড্রিবলিং করতে যান, বলের ভেতরের চিপটি তাদের বুটের নাইকি সেন্সর থেকে সিগন্যাল পেয়ে প্রতি সেকেন্ডে মাইক্রো-ভাইব্রেশন (Micro-vibration) তৈরি করে। এর ফলে বলের ঘূর্ণন গতি (Spin Rate) আকস্মিক পরিবর্তিত হয়ে যায় এবং প্লেয়ারদের পায়ের নিয়ন্ত্রণ ছুটে যায়। যাকে আপনারা 'মিডফিল্ডের ভুল পাস' বা 'মিস-টাইমিং' ভাবছেন, তা আসলে এডিডাসের চিপের নিখুঁত কারসাজি! ব্রাজিলের একের পর এক শট বারে লেগে ফিরে আসার রহস্যও কিন্তু এই অ্যান্টি-ম্যাগনেটিক প্রোগ্রামিং!’
‘কথাগুলো অনেকের কাছেই স্রেফ 'কনস্পিরেসি থিওরি' বা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব মনে হতে পারে। বিশ্বাস করা না করা সম্পূর্ণ আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে কর্পোরেট দুনিয়ায় নিখাদ প্রমাণ ছাড়া কোনো কথা হয় না। ল্যাব টেস্টের ডাটা ও ডার্ক ওয়েবের লিক হওয়া রিপোর্টের লিংক দেখতে চাইলে কমেন্টে জানান, ইনবক্সে প্রমাণ পাঠিয়ে দেওয়া হবে! ধন্যবাদ।’
