

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশি পেসারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি সফরকারী নিউজিল্যান্ড। নাহিদ রানার ‘ফাইফারে’ নির্ধারিত ৫০ ওভারের আগেই মাত্র ১৯৮ রানে গুঁটিয়ে গিয়েছে তারা। ফলে সিরিজে সমতা ফেরাতে বাংলাদেশের লক্ষ্য ১৯৯। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা নিউজিল্যান্ড শুরু থেকেই চাপে পড়ে। পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে সফরকারীরা সংগ্রহ করেন মাত্র ২৮ রান।
শুরুতেই নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম, দুজনেই প্রথম স্পেলে মেডেন ওভার আদায় করেন। সেই চাপকে কাজে লাগান নাহিদ রানা। অষ্টম ওভারে তিনি হেনরি নিকোলসকে ‘লেগ বিফোরের’ ফাঁদে ফেলেন। পরের ওভারেই উইল ইয়াংকে ফিরিয়ে দেন তিনি।
দলীয় ২৮ রানেই দুই ওপেনার হারানোর পর ইনিংস গুছানোর চেষ্টা করেন নিক কেলি ও অধিনায়ক টম ল্যাথাম। তবে এই জুটি বড় হতে পারেনি। সৌম্য সরকারের বলে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ১৪ রান করে ফেরেন ল্যাথাম।
এরপর কেলি ও মুহাম্মদ আব্বাস মিলে ৫৬ রানের জুটি গড়ে দলকে কিছুটা এগিয়ে নেন। ৬৬ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন কেলি।
তবে ১৯ রানে আব্বাসকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন নাহিদ। পরে কেলিও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ব্যক্তিগত ৮৩ রানে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
এরপর দ্রুতই ধসে পড়ে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ। মাঝে রিশাদ হোসেন আর শরিফুল ইসলাম নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নেন। শেষ দিকে আবারও আঘাত হানেন নাহিদ রানা। নিজের শেষ ওভারে পঞ্চম উইকেট তুলে নিয়ে ইনিংস গুটিয়ে দেন তিনি।
৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড। নাহিদ রানা ৩২ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়ে ছিলেন ইনিংসের সেরা বোলার। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় পাঁচ উইকেট শিকার। অন্যদের মধ্যে শরিফুল ইসলাম নেন দুইটি উইকেট। এছাড়া তাসকিন আহমেদ, সৌম্য সরকার এবং রিশাদ হোসেনের ঝুলিতে যায় একটি করে উইকেট।
মন্তব্য করুন
