বৃহস্পতিবার
১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নাহিদের ফাইফারের পর তানজিদের তাণ্ডব, জিতল বাংলাদেশ 

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০২৬, ০৬:২৬ পিএম
লিটন দাস এবং তানজিদ তামিম ।। ছবি: সংগৃহীত
expand
লিটন দাস এবং তানজিদ তামিম ।। ছবি: সংগৃহীত

ব্যাটে-বলে দারুণ নৈপুণ্যে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে দারুণ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে পাকিস্তানকে সর্বনিম্ন রানে অলআউট করার পর ব্যাটিংয়েও রীতিমতো তাণ্ডব চালালেন টাইগাররা ব্যাটাররা। বিশেষ করে তানজিদ তামিমের সামনে বল ফেলার জায়গা খুঁজে পাননি শাহিন আফ্রিদিরা! তার অপরাজিত ফিফটিতে সহজ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৩০.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১১৪ রান করে পাকিস্তান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেছেন ফাহিম আশরাফ। বাংলাদেশের হয়ে ২৪ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট নিয়েছেন নাহিদ। জবাবে ১৫.১ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।

এদিন ম্যাচের শুরুতে নতুন বলে তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান বেশ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেও উইকেট পাননি। এরপর সপ্তম ওভারে স্পিন আক্রমণে যান অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ এবং নিজেই বল হাতে নেন। কিন্তু তখনও পাকিস্তানের উইকেটের দেখা মেলেনি।

পাওয়ার প্লের শেষ দিকে তাসকিনের জায়গায় আক্রমণে আনা হয় নাহিদ রানাকে। প্রথম ওভারেই সাফল্য এনে দেন তিনি। কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে আফিফ হোসেনের হাতে ধরা পড়ে ফেরেন ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান। ২৭ রান করা এই ব্যাটারের বিদায়ে ভেঙে যায় ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি।

এরপর যেন আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন নাহিদ। নিজের পরের কয়েক ওভারের মধ্যেই একের পর এক উইকেট তুলে নেন তিনি। শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে সাজঘরে ফিরিয়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে বড় ধস নামান এই ডানহাতি পেসার। এর মধ্য দিয়েই পূর্ণ হয় তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি।

নাহিদের দাপটের মাঝে পরে উইকেট শিকারে যোগ দেন মেহেদি হাসান মিরাজও। তার বলে উইকেটকিপার লিটন দাসের ক্যাচে ফেরেন আব্দুল সামাদ।

এরপর হোসাইন তালাতকে ‘লেগ বিফোরের’ ফাঁদে ফেলেন তিনি। একই ওভারে শাহিন শাহ আফ্রিদিকেও ফিরিয়ে পাকিস্তানের বিপর্যয় আরও বাড়ান বাংলাদেশের অধিনায়ক।

দ্বিতীয় স্পেলে এসে তাসকিন আহমেদও একটি উইকেট তুলে নেন। তার বলে প্রথম স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ধরা পড়েন মোহাম্মদ ওয়াসিম।

৮২ রানে নবম উইকেট হারানোর পর পাকিস্তান তখন একশ রানও পার করতে পারবে কি না, সেই শঙ্কা দেখা দেয়। তবে শেষদিকে কিছুটা লড়াই করেন ফাহিম আশরাফ। আবরার আহমেদের সঙ্গে শেষ উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়ে দলকে একশ পার করান তিনি। ফাহিমের ৩৭ রানের ইনিংসে ভর করে শেষ পর্যন্ত ১১৪ রানে থামে পাকিস্তানের ইনিংস।

ছোট লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই সাইফ হাসানকে হারায় বাংলাদেশ। ৪ রান করে এই ওপেনার ফিরলে ২৭ রানে ভাঙে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি। সাইফ ব্যর্থ হলেও আরেক প্রান্তে রীতিমতো ঝড় তোলেন তানজিদ হাসান তামিম।

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করা তামিমের কল্যাণে পাওয়া প্লেতেই ৮১ রান তোলে। তামিম ফিফটি করেছেন মাত্র ৩২ বলে। শেষ পর্যন্ত ৬৭ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন