

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইতালির ভেনিসে চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে গিয়ে হামলা ও হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।
অভিযোগ উঠেছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এ হামলার সাথে জড়িত। যারা এই হামলা করছিলেন, তাদের এক কর্মী বাঁধনকে দেখিয়ে ভিডিওতে বলছিলেন, “সে একজন ‘জুলাই জঙ্গী’। সে এখন ভেনিসে, আমরা ভেনিস ছাত্রলীগ এই দেশদ্রোহী ‘জঙ্গি’কে ধরেছি।” ‘দেশকে ধ্বংস করেছে’, এমন অপবাদ-আখ্যা দিয়ে তাকে রীতিমতো হেনস্তা করা হয়। এরপর বাঁধনকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন সঙ্গে থাকা তার ভাই।
সোমবার (০৮ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে ফেসবুকে লাইভে এসে সকলের কাছে ঘটনাটি নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
সেখানে বাঁধন বলেন, আমি আমার ভাইয়ের সাথে পার্কে গিয়েছিলাম। কিন্তু এখানে অনেক বাঙালি ভাইয়েরা এসে আমাকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করেছে। আমার গায়ে পানি, কোক এগুলো ছুঁড়ে মারছে। আমি একদম ভিজে গেছি। আমার সাথে, আমার সাথে হচ্ছে আমার ভাইয়ের ছোট বাচ্চাটাও ছিল। তারা আমার গায়েও হাত তুলেছে, আমার ফোন ফেলে দিয়েছে, আমার কানের এখানে বাড়ি মেরেছে। সো এগুলো তারা করেছে।
বাঁধন বলেন, তারা বলেছে যে আমি জুলাই যোদ্ধা। হ্যাঁ আমি জুলাই যোদ্ধা। আমি অবশ্যই জুলাইতে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি। তারা বলেছে যে তারা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। তারা আমাকে বলেছে যে 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' বলতে জোর করে। তো এবং তারা সেগুলো ভিডিও করেছে এবং সেগুলো তারা লাইভ করছিল, আপলোড করছিল।
এই অভিনেত্রী বলেছেন, তো, আওয়ামী লীগের যে কর্মীরা জানেন না যে আমি বাংলাদেশ থেকে যে সিনেমাটা নিয়ে ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আসছি, সেই সিনেমাটার ডিরেক্টর হচ্ছে রুবাইয়াত হোসেন, যার বাবা আপনাদের একজন সম্মানিত মন্ত্রী ছিলেন। আপনারা একটু খবর নিয়ে দেখবেন। সো আমি তার সাথে কাজ করেছি এবং জুলাইয়ের পরেই কাজ করেছি।
বাঁধন আরও বলেন, আপনারা যে কাজটা আজকে করেছেন, আমি বলব যে আপনাদের এই ধরনের অসংলগ্ন আচরণ থেকে আপনাদের বের হয়ে আসা উচিত ছিল যেটা আপনারা করতে পারেন নি। আপনারা ভেবেছেন যে আমরা এইভাবে করেই হয়তো পরবর্তীতে আমাদের জায়গাটা আবার সুগঠিত করতে পারব। সেটা আমার মনে হচ্ছে না আপনাদের এই ধরনের আচরণের কারণে।
এ ঘটনায় ভেনিসের একটি থানায় বাঁধন অভিযোগ করেছেন বলেও জানা গেছে। তবে অভিযোগের আনুষ্ঠানিক নথি বা পুলিশের বক্তব্য এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।


