

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মিউজিকের সঙ্গে আর গান পরিবেশন করবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের ছেলে আহমাদ আতাউল্লাহ সালমান।
সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।
সালমান ইসলামী ধারার সাংস্কৃতিক দল ‘কাসিদা’ ব্যান্ডের প্রধান কণ্ঠশিল্পী হিসেবে পরিচিত। গান, গজল, নাশিদ ও কাওয়ালি পরিবেশনের মাধ্যমে ইসলামী সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তিনি পরিচিতি পেয়েছেন।
ফেসবুক পোস্টে সালমান জানান, ২০২৪ সালের পরের বিশেষ পরিস্থিতিতে সংগঠনের কয়েকজনের পরামর্শে সাধারণ মানুষের কাছে কাওয়ালির মাধ্যমে নতুন ধরনের সাংস্কৃতিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ‘কাসিদা’ ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেছেন।
তবে এসব পরিবেশনায় মিউজিক ব্যবহারের বিষয়টি অনেকে ভালোভাবে নেননি বলে জানান সালমান। তিনি জানান, তাকে স্নেহ করেন ও তার কল্যাণ কামনা করেন—এমন অনেকেই বিষয়টি নিয়ে তাকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং মিউজিকের সঙ্গে গান পরিবেশন থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে মিউজিকের সঙ্গে আর গান না গাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান তিনি। সালমান বলেন, এটি তার পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তার সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্য সঠিক ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
নিজের কোনো কথা বা কাজের কারণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে সালমান সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। একই সঙ্গে তার প্রতি দোয়া ও শুভকামনার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
‘কাসিদা’ ব্যান্ডের প্রধান কণ্ঠশিল্পী হিসেবে সালমানের পরিবেশিত বিভিন্ন গান, গজল, নাশিদ ও কাওয়ালি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে। এতে ইসলামী সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাঁর একটি আলাদা পরিচিতি তৈরি হয়।
সালমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। পারিবারিক পরিচয়ের পাশাপাশি সংগীতচর্চা ও পরিবেশনার মাধ্যমেও তিনি পরিচিতি পান।
তবে তার সংগীতচর্চা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। মিউজিকের সঙ্গে গান পরিবেশন না করার সাম্প্রতিক ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন, আবার কেউ এ নিয়ে ভিন্ন মত জানিয়েছেন।


