

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যদি কোনো কারণে ঈদের জামাত বা মসজিদে যোগ দেওয়া সম্ভব না হয়, তাহলে ব্যক্তি একাই ঈদের নামাজ পড়তে পারে। তবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানা জরুরি:
১. জামাতে আদায়ের গুরুত্ব -
পুরুষদের জন্য ঈদের জামাত ওয়াজিব (আদায় করা উত্তম ও বাধ্যতামূলক)।
নারীদের জন্য জামাতে যাওয়া সুনন, তবে ঘরে নামাজ আদায় করলেও জায়েজ।
আরও পড়ুনঃ শাওয়ালের ৬ রোজার ফজিলত ও রাখার নিয়ম।
২. একা পড়ার নিয়ম
দুই রাকাত নামাজ পড়তে হবে ঠিক যেমন জামাতে পড়া হয়।
অতিরিক্ত তাকবির (সুবহানা তাকবির) পড়া হবে, যেমন জামাতে হয়।
ইমাম না থাকলে নিজেই সূরা ফাতিহা ও অন্য একটি সূরা পড়বে।
নামাজ শেষে নিজের দোয়া ও খুতবার মত দোয়া করা যায়।
৩. নিয়ত
নিয়ত মনে মনে করলে যথেষ্ট।
উদাহরণ: “আমি আল্লাহর জন্য দুই রাকাত ঈদের নামাজ পড়ার নিয়ত করছি, অতিরিক্ত তাকবিরসহ।”
আরও পড়ুনঃ ঈদের দিন রোজা রাখা কি হারাম?
৪. খুতবার ব্যাপার
একা নামাজের পর নিজে নিজের জন্য খুতবার মত দোয়া ও তওবা করা যায়।
একা পড়লে জামাতের মতো খুতবা শুনা বাধ্যতামূলক নয়।
৫. সময়
সূর্য ওঠার এক বর্শা (ঈদের সকাল) থেকে দুপুরের আগে পর্যন্ত নামাজ পড়া যাবে।
পুরুষদের জন্য জামাতে পড়া ওয়াজিব, তবে যদি যোগ না দিতে পারে, একা পড়া জায়েজ।
আরও পড়ুনঃ শাওয়ালের রোজা কি একটানা রাখতে হয় নাকি বিরতি দিয়ে রাখা যায়?
নারীদের জন্য একা পড়া বা ঘরে নামাজ করা জায়েজ।
অতিরিক্ত তাকবির, সূরা ফাতিহা, অন্য সূরা ও দোয়া পালন করতে হবে।
নামাজের পরে নিজের জন্য দোয়া করা উত্তম।
জামাতে উপস্থিত না হওয়া কোনো ব্যর্থতা নয়, একা পড়লেও ঈদের নামাজের সওয়াব পাওয়া যায়। তবে সুযোগ থাকলে জামাতে নামাজ আদায় করা সর্বোত্তম।
মন্তব্য করুন

