

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করা এবং ভুয়াদের বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অতীতে মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদাকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে, যা আর হতে দেওয়া যাবে না। এসব প্রতিষ্ঠানকে আবার প্রকৃত অর্থে প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কারের ঐতিহাসিক সুযোগ এসেছে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। এই সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য গণভোট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংস্কার ছাড়া দেশ ঘুরে ফিরে একই জায়গায় আটকে থাকবে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন মেজর জেনারেল (অব.) আজিজুর রহমান (বীর উত্তম), ক্যাপ্টেন (অব.) নুরুল হুদা, মেজর (অব.) সৈয়দ মুনিবুর রহমান, মেজর (অব.) কাইয়ুম খান, সাদেক আহমেদ খান, হাবিবুল আলম (বীর প্রতীক), মেজর (অব.) ফজলুর রহমান (বীর প্রতীক)।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নির্বাহী কমিটির সদস্যদের মধ্যে ছিলেন মেজর জেনারেল (অব.) জামিল ডি আহসান (বীর প্রতীক), মেজর (অব.) সৈয়দ মিজানুর রহমান, মেজর (অব.) এ কে এম হাফিজুর রহমান এবং মনোয়ারুল ইসলাম।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক নঈম জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে বৈঠকে আরও অংশ নেন সৈয়দ আবুল বাশার, সিরাজুল হক, মো. মনসুর আলী সরকার, অনিল বরণ রায়, নুরুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ হিল সাফী, জাহাঙ্গীর কবির ও প্রকৌশলী জাকারিয়া আহমেদ।
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ একটি পবিত্র দায়িত্ব। ভবিষ্যতে নতুন মুক্তিযোদ্ধা পাওয়া যাবে না, কিন্তু তাদের স্মৃতি ও অবদান জাতির ভেতরে অবিনশ্বর করে রাখতে হবে।
বৈঠকে বীর মুক্তিযোদ্ধারা সংস্কার বাস্তবায়ন ও গণভোটের আয়োজন করায় প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান।
মন্তব্য করুন

